এই চরম অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা আইএসএলে যোগদান নিয়ে ক্লাবের তরফ থেকে সদর্থক ঘোষণার জন্য উদগ্রীব। কিন্তু আশ্বাসবাণীর তো নয়ই বরং ক্লাব সচিব কল্যাণ মজুমদার  এক টেলিফোনিক সাক্ষাৎকারে কার্যত কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন সমর্থকদের। সাক্ষাৎকারটিতে কল্যাণ বাবুকে আগামী মরসুমে ময়দানের ডার্বি নিয়ে জিজ্ঞাসা করা হলে জবাব দেন, তিনি আসন্ন ডার্বি নিয়ে কোন প্রকার উচ্চাশা রাখেননা এবং তার জন্য সরাসরি দায়ী করেন সমর্থকদেরই। তার মতে সমর্থকদের বেশ একটা ভাল অংশ টিকিট না কেটে মাঠে ‘ফোকটে ফুর্তি করতে যান।'

আরও পড়ুনঃ'তখন ডিআরএস থাকলে অনেক আগেই পাকিস্তানের ১০ উইকেট নিয়ে নিতাম'

 ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে যোগদান নিয়ে তার বক্তব্যে সমর্থকদের প্রতি কার্যত ক্ষোভ ব্যক্ত করে তিনি বলেন যে ইস্টবেঙ্গলকে আইএসএলে খেলানোর গুরুদায়িত্ব শুধুমাত্র ক্ষমতাসীন কর্মকর্তাদের উপর বর্তায় না। সমর্থকদের মানসিকতাকে প্রশ্নচিহ্নর মুখে ফেলে দেন তিনি। পরে আরও বলেন যে ইস্টবেঙ্গল সমর্থক নির্ভর ক্লাব, তাহলে আইএসএলে খেলানোর দায়িত্ব সভ্য, সমর্থক শুভাকাঙ্খীরা কেন নিচ্ছেন না! তার বক্তব্য শীর্ষকর্তাই শুধুমাত্র পরিশ্রম করে চলেছেন এবং সমর্থকরা ‘ফোকটে ফুর্তি নিয়ে চলেছে ‘। এই বলে তিনি সমর্থকদের কটাক্ষ করেন এবং কার্যত হুঁশিয়ারি দেন যে সমর্থকদের ফোকটে ফুর্তি আর চলবে না। ক্লাব সচিব তার সাক্ষাৎকারে প্রকারান্তরে তাদের দায়িত্ব ঝেড়ে ফেলে সমর্থকদের দায়ী করতে চেয়েছেন গোটা সাক্ষাৎকার জুড়ে। 

আরও পড়ুনঃএবার বীরেন্দ্র সেওয়াগকে মারার হুমকিও দিলেন শোয়েব আখতার

আরও পড়ুনঃ২ বছরের জন্য জবি জাস্টিনের সঙ্গে চুক্তি করল এটিকে মোহনবাগান

আইএসএলে খেলা নিয়ে কোনওরকম আশ্বাসবাণী দেননি তিনি। ফলে নিঃসন্দেহে এটা বলাই যায় যে এই সাক্ষাৎকারের মাধ্যমে শতবর্ষ পূরণের লগ্নে কোনপ্রকার খুশির খবরের বদলে সমর্থকদের মধ্যে আরো একবার একরাশ বিতর্ক ছড়িয়ে দিয়ে গেলেন ক্লাব সচিব। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ক্লাব লাইসেন্স এর ব্যাপারে সচিব বলেন কিছু সমস্যা থাকলেও তা সম্পূর্ণ হয়ে যাবে বলেই তিনি মনে করেন।