চলতি সপ্তাহেই মে মাসের শেষ থেকে ইতালিতে ফের ফুটবল শুরুর ভাবনার কথা জানিয়েছিল ইতালির ফুটবল ফেডারশন। প্রথমে অসামপ্ত লিগ ও তারপরে নতুন মরসুম শুরুর কথাও বলেছিল ইতালির ফুটবল ফেডারেশনের কর্তারা। তবে ফুটবল ফিরলেও, দর্শকদের জন্য এখনই খোলা হচ্ছে না স্টেডিয়াম। আগামি এক বছর দর্শকশূন্য মাঠেই হবে খেলা। ঘরে বসে টিভিতে খেলা উপভোগ করতে হবে ক্রীড়া প্রেমীদের। তবে সবকিছুই নির্ভর করছে করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি কোন দিকে যায় তার উপর। এবার একই পথে হাঁট ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগও। করোনার জন্য মাঝপথে বন্ধ হয়ে থাকা ঐতিহ্যশালী এই টুর্নামেন্টকে ফের চালু করার উদ্যোগ নিল ক্লাবগুলি। এই বিষয়ে ইপিএল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে বৈঠক করে ক্লাবগুলি। বৈঠকে ৩ জুন থেকে ফের ইপিএল শুরু করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। আসলে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড, লিভারপুলের মতো ইপিএল-এর ছটি বড় ক্লাব মরসুম শেষ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। 

আরও পড়ুনঃলকডাউনে মেয়ের সঙ্গে বলিউড গানে আইটেম ডান্স ডেভিড ওয়ার্নারের, দিলেন বক্সিং কোচিংও

এর পিছনে রয়েছে মূলত দুটি কারণ।প্রথম কারণটা হল ফুটবলারদের সঙ্গে চুক্তির মেয়াদের বিষয়টা। বেশ কয়েকটি বড় ক্লাবে খেলা ফুটবলারদের এবছরই চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে টুর্নামেন্ট শেষ করে নিয়ে এই সব ফুটবলারদর ছেড়ে দিতে চাইছে ক্লাবগুলি। দ্বিতীয় কারণটি হল, ইপিএল শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরিস্কার হচ্ছে না যে কোন ক্লাব আগামী বছর ইউরো কাপে সরাসরি খেলার যোগ্যতা অর্জন করতে চলেছে। একই সঙ্গে ইপিএল খেতাব জয়ের বিষয়টাও একটা ফ্যাক্টর। যেমন ইপিএল খেতাব হাতে তোলা থেকে আর মাত্র দুটি ম্যাচ দুরে লিভারপুল। তাই তারা তাড়াতাড়ি টুর্নামেন্ট শেষ করে খেতাব ঘরে তুলতে চাইছে। শুক্রবারের বৈঠকে ১৮ মে থেকে ফুটবলারদের প্রস্তুতি শুরু করে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেই সঙ্গে জুনের ৩০ তারিখের মধ্যে টুর্নামেন্ট শেষ করে দেওয়ার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে। 

আরও পড়ুনঃশোয়েব আখতার-এর কেরিয়ার বাঁচিয়েছিলেন এক প্রাক্তন বিসিসিআই কর্তা, জানুন নেপথ্য-কাহিনী

আরও পড়ুনঃধোনি সর্বকালের সেরা অধিনায়কদের মধ্য অন্যতম, মন্তব্য কেভিন পিটারসেনের

বৈঠকের শেষে ক্লাবগুলিকে ইপিএল কর্তৃপক্ষ থেকে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে যে, ফের টুর্নামেন্ট আয়োজন করার ব্যাপারে সরকারর পক্ষ থেকে অনুমতি পেলেও, কোনও সাহায্য পাওয়া যাবে না। সেক্ষেত্রে সব দিক বিবেচনা করে টুর্নামেন্টের যাবতীয় আয়োজন ক্লাবগুলিকেই করতে বলেছে ইপিএল কর্তৃপক্ষ। ফলে সোশাল ডিস্টেন্সিং বজায় রেখে ফাঁকা স্টেডিয়ামে ম্যাচ আয়োজন করা ছাড়া আর কোনও পথ দেখছে না ইপিএল ক্লাবগুলি। তবে করোনা ভাইরাস সংক্রমণের জেরে ব্রিটেনের পরিস্থিতি দিনের পর দিন উদ্বেগজনক হয়ে উঠছে। ফলে সব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলা হয়ে ইপিএল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে।