ইতালিতে করোনা আতংক কাটিয়ে অবশেষে ফিরে এসেছে ফুটবল। কোপা-ইতালিয়ার সেমি ফাইনালে প্রথম ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল এসি-মিলান ও জুভেন্তাস এবং দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ইন্টার মিলান ও নাপোলি। প্রথম পর্বের ম্যাচে রোনাল্ডোর অ্যাওয়ে গোলের সুবাদে দ্বিতীয় পর্বের খেলা গোলশূন্য ড্র হলেও ফাইনালে পৌঁছয় জুভেন্তাস। অপরদিকে প্রথম পর্বের ম্যাচে ১ গোলে জেতার ফলে দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র করে ফাইনালে পৌঁছেছে গ‍্যাতুসোর নাপোলি। আজ রাতে রোমের অলিম্পিয়াকোসে কোন দল বাজি মারে সেদিকে নজর থাকছে গোটা ফুটবল বিশ্বের। 

আরও পড়ুনঃফের গোল মেসির,লেগানেসকে ২-০ গোলে হারাল বার্সা

দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ড্র করলেও একটি নির্দিষ্ট ছন্দে খেলতে দেখা গেছে নাপোলিকে। এই মরশুমের শুরুটা একেবারেই ভালো হয়নি নাপোলির। একসময় লিগে অবনমনে থাকা দলগুলির কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল তারা। মরশুমের মাঝপথে কোচ হয়ে আসেন প্রাক্তন ইতালিয়ান ডিফেন্ডার গ‍্যাতুসো। ধীরে ধীরে তার কোচিংয়ে মানিয়ে নিতে থাকে নাপোলি। এই মুহুর্তে লিগ টেবিলের অবস্থান অনুযায়ী ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতা গুলিতে সুযোগ পাওয়ার দৌড়েও রয়েছে নাপোলি। লকডাউন শুরু হওয়ার কিছুদিন আগে লিগে জুভেন্তাসের সঙ্গে সাক্ষাতে ২-১ গোলে জয় পেয়েছিল তারা। সাম্প্রতিক ফর্মের বিচারে তাই ফাইনালে যে নাপোলিই এগিয়ে তাতে সন্দেহ নেই। 

আরও পড়ুনঃআজ থেকে শুরু ইপিএল,প্রথম দিনই জমজমাট দুই ম্যাচ,অপক্ষায় ফুটবল বিশ্ব

আরও পড়ুনঃআজ ফিরছে প্রিমিয়ার লিগ,জেনে নিন করোনা আবহে লিগের নয়া নিয়মাবলী

অপরদিকে জুভেন্তাস ফাইনালে পৌঁছলেও একেবারেই ছন্দে দেখায়নি তাদের। এখনও অবধি তারা ত্রিমুকুট অর্জনের লড়াইয়ে রয়েছেন। কিন্তু এসি-মিলানের বিরুদ্ধে তারা যে ফুটবলটি খেলেছেন তেমন খেলতে থাকলে একটি ট্রফিও তাদের ঘরে আসবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ থেকে যায়। সমালোচিত হচ্ছেন জুভেন্তাসের তারকা ফুটবলার ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোও। সেমি-ফাইনালের প্রথম পর্বে তার মারা পেনাল্টিই জুভেন্তাসকে ফাইনালে তুললেও দ্বিতীয় পর্বে পেনাল্টি নষ্ট করেছেন তিনি। তাছাড়া দ্বিতীয় পর্বের ম্যাচে এমনিও অত্যন্ত বাজে ফর্মে ছিলেন তিনি। আর এক মহাতারকা লিওনেল মেসি যখন লা লিগায় পরপর দুই ম্যাচে নিজের জাদুতে সকলকে মুগ্ধ করেছেন তখন রোনাল্ডোকে একেবারেই নিষ্প্রভ দেখিয়েছে। এখন দেখার দলের যখন সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাকে তখন তিনি সমালোচকদের চুপ করিয়ে জ্বলে উঠেন নাকি বয়সের ভারে শেষপর্যন্ত সত্যিই ধীরে ধীরে হারিয়ে যান ফুটবলের মুলস্রোত থেকে।