জমে উঠেছে সিঁরি আ-এর লড়াই। ফুটবল ফেরার আগে লিগের শীর্ষে ছিল জুভেন্তাস। সমসংখ্যক ম্যাচ খেলে দ্বিতীয় স্থানে থাকা লাৎজিওর থেকে ১ পয়েন্টে এগিয়ে ছিল তারা। এই মুহুর্তে আরও দুই রাউন্ড খেলা হওয়ার পরেও নিজেদের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে তারা। লাৎজিওর সাথে ব্যাবধান বেড়ে হয়েছিল ৪ পয়েন্ট। এই অবস্থায় সিঁরি আ ফেরার পর নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে কাল নেমেছিল জুভেন্তাস।।প্রতিপক্ষ ছিল অবনমনের আওতায় থাকা জেনোয়া। 

আরও পড়ুনঃঅভিনব উদ্যোগ 'মহারাজ' ভক্তদের, জন্মদিনে আসছে সৌরভের ছবি দেওয়া মাস্ক

ম্যাচের প্রথমার্ধে একঘেয়ে খেলা হয়। কোনপক্ষই গোল করতে পারেনি প্রথম ৪৫ মিনিটে। চেষ্টা করেছিলেন রোনাল্ডো। দু বার গোল লক্ষ করে বিষাক্ত দুটি শট নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু জেনোয়া গোলরক্ষক, জুভের প্রাক্তনী পেরিন অসামান্য দক্ষতায় দুটি শটই বাঁচিয়ে দেন। জেনোয়া নিজেরাও খুব একটা সমস্যায় ফেলতে পারেনি জুভেকে। শেষপর্যন্ত গোলশূন্য ভাবে শেষ হয় প্রথমার্ধ। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের রং পুরোপুরি পালটে যায়। একের পর এক গোল হতে থাকে। গোল করেন দিবালা, রোনাল্ডো এবং পরিবর্ত হিসাবে নামা ডগলাস কোস্তা। পর পর তিন ম্যাচে টানা গোল রোনাল্ডো এবং দিবালার। এর আগের ম্যাচে কোস্তা একটি গোলে সহায়তা করেছিলেন। কাল গোল করলেন। 

আরও পড়ুনঃ৩০ বছর পর চ্যাম্পিয়ন হয়েও শাস্তির মুখে লিভারপুল দল

আরও পড়ুনঃভারতে নিষিদ্ধ টিকটক,কি করবেন ওয়ার্নার, খোঁচা অশ্বিনের

দিবালার গোলটা ম্যাজিক। বল রিসিভ করে অসামান্য দক্ষতায় দুজনকে কাটিয়ে সুন্দর ফিনিশ করেন আর্জেন্টাইন তারকা। রোনাল্ডোর গোলটি অনবদ্য। পঁচিশ গজ দূর থেকে তাকে শট নিতে দেখে জেনোয়া গোলকিপার পেরিন নিজের শরীর ছুড়ে দিয়েছিল কিন্তু লাভ হয়নি। পরে জানা যায় সেই শটের গতি ছিল ১০৫ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা। কোস্তার গোলটিকে শিল্প বললে কম বলা হয়। ব্রাজিলিয়ান তারকা পেনাল্টি বক্সের বাইরে বল ধরে একপলক গোলকিপার কে দেখে শট মারার ছলে বলটি হাওয়ায় ভাসিয়ে দেন। বল জালে জড়িয়ে যায় রামধনুর মতো। গোলরক্ষক পেরিনের দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখা ছাড়া কিছু করার ছিল না। পরের ম্যাচে তুরিন ডার্বিতে নামার আগে এই জয় তাদের আত্মবিশ্বাস যোগাবে।