ভারতীয় সময় অনুযায়ী সোমবার মধ্য রাতে ফিফার বর্ষসেরা পুরস্কার পেয়েছেন আর্জেন্টিনা ও বার্সেলোনা তারকা লিওনেল মেসি। তবে এবছর বর্ষসেরা কেন মেসিকে দেওয়া হল সেই নিয়েও উঠে গেল নানা প্রশ্ন। বিশেষ করে এবছর মেসির পাশাপাশি বর্ষসেরা দৌড়ে ছিলেন ভার্জিল ভ্যান ডাইক। লিভারপুল এফসির এই ফুটবলার এবছর খেতাবের দৌড়ে এগিয়ে থাকলে, শেষ পর্যন্ত পুরস্কার নিয়ে যান মসি। এবছর মেসির বর্ষসেরা পুরস্কার পাওয়া নিয়েও বেশ কিছু প্রশ্ন তুলে দিয়েছে ফিফার কিছু কর্তারা সহ এক গোষ্ঠী। এমনকি চেনা মুখেদের বারবার পুরস্কার দেওয়ার অভিযোগও তোলা হল পুরস্কার দেওয়ার পর। এবছর উয়েফায় দুরন্ত পারফর্ম করেছেন ভ্যান ডাইক। আর সেই সঙ্গে উয়েফার বর্ষসেরা ফুটবলারও হন লিভারপুলের এই ডিফেন্ডার। পাশাপাশি দলকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ জিততেও সাহায্য করেছিলেন এই তারকা। প্রিমিয়ার লিগেও দলকে টানটে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। আর সেই কারণে মেসিকে কেন এই ফিফার বর্ষসেরা দেওয়া হল সেই নিয়ে শুরু হয়ে গিয়েছে তর্ক বিতর্ক। ফিফা সূত্রে খবর চেনা মুখেদের তোষন করার অভিযোগও তুলেছে ফিফার এক গোষ্ঠী।

আরও পড়ুন, নেইমারের গোলে জয় পিএসজির, লালিগায় জয় রিয়ালের
কিন্তু পুরস্কার যেই পাক ফিফার সেরা একাদশের মধ্যে থাকতে পেরেই খুশি বর্ষসেরার দৌড়ে থাকা ভ্যান ডাইক। একই সঙ্গে নিজের কোনও তুলনা মেসির সঙ্গে করতে চান না তিনি। এমনটাও অনুষ্ঠানের পর জানান এই ফুটবলার। ভ্যান ডাইক বলেন, 'আমার সঙ্গে মেসির তুলনা টানা ঠিক হবে না। যাঁরা এই পুরস্কারের জন্য মেসিকে ভোট দিয়েছেন। তাঁরা নিজেদের পছন্দ জানিয়েছেন। সেখানে আমার কিছু করার নেই। আর সেটা মেনে নিতে হবে। তবে মেসির সঙ্গে আমার তুলনা টানা ঠিক নয়। এটা সম্পূর্ণ একটা আলাদা ব্যাপার। আমি এই অনুষ্ঠানে আসতে পেরেছি সেটাই আমার কাছে অনেক বড় ব্যাপার।' মঙ্গলবার এই পুরস্কার না পেলেও সেভাবে চাপ নিতে চাননি এই ফুটবলার। বরং কোনও রকম খারাপ লাগা নেই এমনটাই জানিয়েছেন নেদারল্যান্ড দলের অধিনায়ক। 

আরও পড়ুন, ক্লপের লিভারপুলের কাছে হার ল্যাম্পার্ডের চেলসির, হারলো ম্যানইউও

অপরদিকে, ফিফার পুরস্কার মঞ্চ থেকে এদিন ফুটবলার ও অফিশিয়ালদের অন্য রকমের বার্তা দেন ফিফার সভাপতি জিয়ানি ইনফান্টিনো। ফুটবল মাঠে ও ফুটবলের পরিবেশে বর্ণবৈষম্য মূলক জিনিস বন্ধ করার আবেদন করেন ফিফার সভাপতি ইনফান্টিনো। ফিফা সভাপতি বলেন, 'বর্ণবৈষম্যের স্বীকার হচ্ছে ফুটবল। এটা ঠিক নয়। এবার এই বর্ণবিদ্যেশ মূলক জিনিস পত্র বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।'