ডার্বির আগে শেষ ম্যাচ। ইস্টবেঙ্গল ট্রাউ এফসিকে হারিয়ে লিগের এক নম্বর স্থানে উঠে এসেছে। তাই সোমবার গোকুলামের বিরুদ্ধে জয় ছাড়া আর কোনও রাস্তা খোলা ছিল না কিভু ভিকুনার দলের সামনে। খেলার শুরু থেকেই তাই আক্রমণে ঝাঁপিয়েছিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। তবে একের পর এক আক্রমণ করলেও গোলার দরজা খুলতে পারছিল না কিভুর দল। পজেটিভ স্ট্রাইকারের অভাবটা বেশ চিন্তায় রাখবে কিভু ভিকুনাকে। ম্যাচের ২৭ মিনিটে পেনাল্টি উপহার দিয়ে মোহনবাগানের গোল করার রাস্তাটা পরিস্কার করে দিল গোকুলামই। স্পট কিক থেকে গোল করে দলকে এগিয়ে দিলেন স্প্যানিশ মিডিও ফ্রান গঞ্জালেজ। এই সময়টায় মোহনবাগান গোলকিপার শঙ্কর রায়কে খুব একটা চাপের মুখে পরতে হয়নি। কিন্তু প্রথমার্ধের ইনজুরি টাইমে মোহনবাগানও পেনাল্টি উপহার দিল কেরলের দলকে।  স্পট কিক থেকে ১-১ করে প্রথমার্ধের খেলা শেষ করলেন মার্কোস জোসেফ। 

 

 

 

আরও পড়ুন - লিগ শীর্ষে ওঠার স্বপ্ন সত্যি হল না, ইনজুরি টাইমের গোলে মান বাঁচল রিয়ালের

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নেমেই আরও একটা গোল করে সবুজ মেরুনকে এগিয়ে দিলেন ফ্রান গঞ্জালেজ। কিন্তু সবুজ মেরুন ২-১ গোলে এগিয়া যাওয়ার পরও খেলার ছবিটা বদলে গেল। গোকুলাম গোল শোধ করতে মরিয়া হয়ে ঝাঁপিয়ে পরেছিল সবুজ মেরুন ব্রিগেডের ওপর। তাই একর পর আক্রমণের ঢেউ আছড়ে পরে সবুজ মেরুন বক্সে। এই সময়টায় বাগানের তরুণ গোলকিপার শঙ্কর রায় প্রতিরোধ করতে না পারলে একাধিক গোল হজম করতে হত কিভুর দলকে। এি সময়টায় মোহনবাগান ডিফেনন্সের করুন ছবিটাও বেড়িয়ে পরে। গোকুলামের আক্রমণ যেমন পোস্টে লাগল তেমনই শঙ্কর একাধিকবার ত্রাতার ভূমিকায়। পরিবর্তন হিসেবে নেমে তখন একাধিক কাউন্টার অ্যাটাক করলেন শুভ ঘোষ। কিন্তু তাঁকে সঙ্গ দেওয়ার কেউ নেই। তাই মোহনবাগান আর গোল করতে পারেনি। তবে গোল খেতেও হয়নি। তাই ডার্বির আগের ম্যাচে হাসি মুখেই বাড়ি ফিরতে পারলেন সবুজ মেরুন সমর্থকরা। 

আরও পড়ুন - ম্যাচ অফিসিয়ালদের পিটিয়ে নির্বাসিত মুম্বাই সিটি এফসি, সঙ্গে দশ লক্ষ টাকা জরিমানও

গোকুলামকে মোহনবাগান হারিয়ে দেওয়ায় আপতত আইলিগের শীর্ষ স্থান ধরে রাখল ইস্টবেঙ্গল। আর দ্বিতীয় স্থানে মোহনবাগান। চার ম্যাচ খেলে ইস্টবেঙ্গলের পয়েন্ট আট, মোহনবাগানের সাত। এই চার ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল যেমন আটি গোল করে চারটি হজম করেছে, তেমনই মোহনবাগান আটি গোল করে পাঁচটি গোল হজম করেছে। তাই রবিবারের ডার্বিতে অঙ্কের হিসেবে একটু এগিয়ে থেকে মাঠ নামছে ইস্টবেঙ্গল। আর মোহনবাগানের লক্ষ্য সেই হিসেব মিটিয়ে দিয়ে মরসুমের দ্বিতীয় ডার্বি জিতে নেওয়া। কারণ কলকাতা লিগের ডার্বিতে দুই দলের ম্যাচে শেষ হয়েছিল অমীমাংসিত ভাবেই।

আরও পড়ুন - বিরাট কোহলি ক্রিকেটের ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো, বলছেন ব্রায়ান লারা