অর্ধশতবার্ষিকী পূরণের দিনে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে ভক্তদের রুদ্ধশ্বাস জয় উপহার দিল প্যারিস সেন্ট জার্মেইন। চ্যাম্পিয়ন্স লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে টান টান উত্তেজনা পূর্ন ম্যাচে পিএসজি জয় ছিনিয়ে আনলো হারের মুখ থেকে। আটালান্টার বিরুদ্ধে ১ গোলে পিছিয়ে পরেও ম্যাচের একডম শেষ লগ্নে দুই গোল করে সেমি ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করলো তারা। ১৯৯৫ সালের পর প্রথমবারের জন্য তারা চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি ফাইনালে উঠলো। 

আরও পড়ুনঃবিরাট, রোহিত তার কাছে আদর্শ, তাদেরকে স্লেজিং করতে পারবেন না, জানালেন সইফুদ্দিন

ম্যাচের প্রথমার্ধে খেলা চলছিল সমানে সমানে। আক্রমণ, পাল্টা আক্রমণে একে অপরকে মেপে নিচ্ছিল দুই পক্ষই। ম্যাচের ৩ মিনিটে একদম সহজ একটি সুযোগ নষ্ট করেন নেইমার। তার পর ম্যাচ যত গড়ায় এরকম আরও সুযোগ নষ্ট করতে থাকে নেইমার। অপরদিকে ২৭ মিনিটে সুযোগ কাজে লাগিয়ে পেসিলিচের গোলে এগিয়ে যায় আটালান্টা। আক্রমণে লোক বাড়িয়ে প্রেস করে পিএসজির ওপর চাপ বাড়ায় ইতালিয়ান ক্লাবটি। দ্বিতীয়ার্ধের কিলিয়ান এমব্যাপে কে নামাতে বাধ্য হন পিএসজি কোচ টমাস টুচেল। তার এবং নেইমারের জোড়া ফলায় বার বার কেঁপে উঠে আটালান্টা রক্ষণ। কিন্তু দুজনেই ফিনিশিংয়ে ক্ষেত্রে অত্যন্ত বিশ্রীরকমের ভুল করতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ৮৯ মিনিটে নেইমারের পাস থেকে গোল করে সমতা ফেরান পিএসজির ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মারকিউনস। এরপর সকলে যখন অতিরিক্ত ৩০ মিনিটের কথা ভাবতে শুরু করেছে তখন আটালান্টা দলের ক্লান্তির সুযোগ নেয় পিএসজি। নেইমারের বাড়ানো বল ধরে বক্সে নিচু ক্রস রাখেন এমব্যাপে। সেই ক্রস থেকে পরিবর্ত হিসাবে নামা ক্যামেরুনের ফরোয়ার্ড চপ মোয়েটাং-এর গোলে নাটকীয় ভাবে ম্যাচ জেতে পিএসজি। 

আরও পড়ুনঃ'প্রথাগত কোচিং পাইনি, যা শিখেছি নিজেই', অদ্ভুত বোলিং অ্যাকশনের রহস্যও জানালেন বুমরা

আরও পড়ুনঃঝগড়া থেকে প্রেম, দাম্পত্য জীবনের নানা গোপন তথ্য ক্যুইজ শো-তে জানালেন বিরুষ্কা

চোটের জন্য সাইডলাইনের ধারে বসে অথবা কখনো ক্রাচ হাতে দাঁড়িয়ে নিজের দলকে নির্দেশ দিচ্ছিলেন পিএসজি কোচ টমাস টুচেল। আজ হারলে চাকরি যেতে পারতো তার। তাই ম্যাচ জিতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন তিনি। দুর্দান্ত খেললেও ম্যাচের ১০ মিনিট বাকি থাকতে চোটের জন্য মাঠ ছাড়েন পিএসজি কিপার কেইলোর নাবাস, দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন তিনিও। অপরদিকে ম্যাচে ১৭ জন কে কাটিয়ে নতুন রেকর্ড তৈরি করেছেন নেইমার। নিজে গোল করতে না পারলেও সতীর্থদের গোলের সুযোগ তৈরি করে দিয়ে ম্যাচের সেরা তিনিই। চোটের রেশ কাটিয়ে দ্বিতীয়ার্ধে অল্প সময়ের জন্য নেমেও প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছেন এমব্যাপে। সেমি ফাইনালে আজ রাতের আতলেতিকো এবং লেপজিগ ম্যাচের মধ্যে বিজয়ীর সাথে দেখা হবে নেইমারদের।