বর্ষের শুরুতে বিপুল তুষারপাত, সিমলা-মানালি-তে বিপাকে পর্যটকেরা

First Published 11, Jan 2020, 4:05 PM

শীত মানেই সমুদ্র আর গরম মানেই পাহাড়। পুরোনো এই ট্যাবু ভেঙে এখন তুষারপাতের হাতছানিতে ডিসেম্বর জানুয়ারিও পিক সিজন হিমরাজ্য। ক্রমেই বেড়ে উঠছে হোটেলের দাম, খবর।তবে সিমলা এবার ভরিয়ে দিল পর্যটকদের। যার জেরে এখ বিপাকে অনেকেই। 

কনকনে ঠাণ্ডাতে সিমলায় বিপাকে পর্যটকেরা। বছরের প্রথমেই ভ্রমণে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়তে হয় পর্যটকদের। ঠাণ্ডার জেরে সিমলা এখন দুঃস্বপ্ন।

কনকনে ঠাণ্ডাতে সিমলায় বিপাকে পর্যটকেরা। বছরের প্রথমেই ভ্রমণে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়তে হয় পর্যটকদের। ঠাণ্ডার জেরে সিমলা এখন দুঃস্বপ্ন।

বছরের শুরুতেই জাঁকিয়ে ঠাণ্ডা দেশ জুড়ে। বরফের আস্তরণে ঢাকল সিমলা মানালিও। আটকে বহু পর্যটক। সমস্যার মুখে ওপর থেকে নীচে নেমে আসার চেষ্টা।

বছরের শুরুতেই জাঁকিয়ে ঠাণ্ডা দেশ জুড়ে। বরফের আস্তরণে ঢাকল সিমলা মানালিও। আটকে বহু পর্যটক। সমস্যার মুখে ওপর থেকে নীচে নেমে আসার চেষ্টা।

বরফ দেখতেই সাধারণত এই সময় হিমাচলে ভিড় জমান পর্যটকেরা। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না। তবে বরফের জেরে নাজেহাল পর্যটকেরা।

বরফ দেখতেই সাধারণত এই সময় হিমাচলে ভিড় জমান পর্যটকেরা। এবারও তার ব্যতিক্রম হল না। তবে বরফের জেরে নাজেহাল পর্যটকেরা।

বরফ বৃষ্টিতে আটকে রয়েছেন বহু পর্যট। নেই বিদ্যুৎ সংযোগ। যার ফলে হিটার কিংবা গিজারের সাহায্যও নিতে পারছেন না পর্যটকেরা।

বরফ বৃষ্টিতে আটকে রয়েছেন বহু পর্যট। নেই বিদ্যুৎ সংযোগ। যার ফলে হিটার কিংবা গিজারের সাহায্যও নিতে পারছেন না পর্যটকেরা।

রাতের দিকে নামচে তাপমাত্রার পারদ। বরফ পড়ে ঢাকছে রাস্তা, হোটেল। অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকেই।

রাতের দিকে নামচে তাপমাত্রার পারদ। বরফ পড়ে ঢাকছে রাস্তা, হোটেল। অসুস্থ হয়ে পড়ছেন অনেকেই।

বন্ধ হয়ে পড়ে আছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। বরফ সরিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করতে সময় লাগছে অনেক। যার ফলে ব্যহত পরিবহণ ব্যবস্থাও।

বন্ধ হয়ে পড়ে আছে যোগাযোগ ব্যবস্থা। বরফ সরিয়ে রাস্তা পরিষ্কার করতে সময় লাগছে অনেক। যার ফলে ব্যহত পরিবহণ ব্যবস্থাও।

সম্প্রতি সিমলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হল পর্যটকদের যাওয়া বন্ধ করা হক। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে জানিয়ে দেওয়া হবে।

সম্প্রতি সিমলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হল পর্যটকদের যাওয়া বন্ধ করা হক। পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হলে জানিয়ে দেওয়া হবে।

যতক্ষণ না পর্যন্ত পুলিশের তরফ থেকে সবুজ সংকেত পাওয়া যাচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত যেন কোনও পর্যটকেরাই সিমলার দিকে না যায়।

যতক্ষণ না পর্যন্ত পুলিশের তরফ থেকে সবুজ সংকেত পাওয়া যাচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত যেন কোনও পর্যটকেরাই সিমলার দিকে না যায়।

৯ জানুয়ারি রিপোর্ট অনুযায়ী, সিমলাতে বরফ পড়েছে ২২ সেমি। ডালহাউসিতে বরফের আস্তরন পড়েছে ৩৫ সেমি। ঢালে এই সংখ্যা আরও বেশি।

৯ জানুয়ারি রিপোর্ট অনুযায়ী, সিমলাতে বরফ পড়েছে ২২ সেমি। ডালহাউসিতে বরফের আস্তরন পড়েছে ৩৫ সেমি। ঢালে এই সংখ্যা আরও বেশি।

সিমলা মানালিতে আটকে রয়েছে বহু পর্যটকেরা। গাড়ি চলাচল বন্ধ। যার ফলে ওপর থেকে নেমে আসা সম্ভবপর হচ্ছে না।

সিমলা মানালিতে আটকে রয়েছে বহু পর্যটকেরা। গাড়ি চলাচল বন্ধ। যার ফলে ওপর থেকে নেমে আসা সম্ভবপর হচ্ছে না।

পরিবহন বন্ধ থাকার ফলে খাবারও যথাযথ সরবরাহ করা যাচ্ছে না সিমলা-মানালিতে। বিপাকে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দারাও।

পরিবহন বন্ধ থাকার ফলে খাবারও যথাযথ সরবরাহ করা যাচ্ছে না সিমলা-মানালিতে। বিপাকে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দারাও।

দ্রুত রাস্তা পরিস্কার করার কাজে হাত দিচ্ছে স্থানীয় মানুষেরা। কিন্তু ঠাণ্ডাহাওয়া ও বরফ পড়ার ফলে বেশিক্ষণ কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।

দ্রুত রাস্তা পরিস্কার করার কাজে হাত দিচ্ছে স্থানীয় মানুষেরা। কিন্তু ঠাণ্ডাহাওয়া ও বরফ পড়ার ফলে বেশিক্ষণ কাজ করা সম্ভব হচ্ছে না।

জমে রয়েছে জলের পাইপ। ফলে বন্ধ হয়ে গিয়েছে জল সরবরাহ। পৌঁছতে না পাড়ার ফলেও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে অনেককে।

জমে রয়েছে জলের পাইপ। ফলে বন্ধ হয়ে গিয়েছে জল সরবরাহ। পৌঁছতে না পাড়ার ফলেও সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে অনেককে।

বছরের শুরুতেই ভয়াল চিত্র সিমলায়। পায়ে হেঁটেই অনেকে ওপর থেকে মেনে আসতে চাইছেন।

বছরের শুরুতেই ভয়াল চিত্র সিমলায়। পায়ে হেঁটেই অনেকে ওপর থেকে মেনে আসতে চাইছেন।

ঠাণ্ডা এখনও থাকবে বেশ কিছুদিন। ক্রমাগত বরফ পড়ার ফলে সমস্যা আরো বাড়ছে। তাই তৎপর হলেন সিমলা পুলিশ।

ঠাণ্ডা এখনও থাকবে বেশ কিছুদিন। ক্রমাগত বরফ পড়ার ফলে সমস্যা আরো বাড়ছে। তাই তৎপর হলেন সিমলা পুলিশ।

যদিও প্রথমে বরফ পেয়ে মন ভরেছিল পর্যটকদের। বছরের প্রথমেই এমন প্রাপ্তীতে সিমলামুখী পর্যটকরে খুশি থাকলেও পরবর্তীতে তা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

যদিও প্রথমে বরফ পেয়ে মন ভরেছিল পর্যটকদের। বছরের প্রথমেই এমন প্রাপ্তীতে সিমলামুখী পর্যটকরে খুশি থাকলেও পরবর্তীতে তা সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়।

এখনও কয়েকদিন এমনই পরিস্থিতি থাকবে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। যার ফলে সিমলা পরিকল্পনা অনেককেই বাতিল করতে হচ্ছে।

এখনও কয়েকদিন এমনই পরিস্থিতি থাকবে বলে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। যার ফলে সিমলা পরিকল্পনা অনেককেই বাতিল করতে হচ্ছে।

কুলুর তরফ থেকেও একই পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। তাঁদের বক্তব্য আবহাওয়া স্থিতিশীল না হলে পর্যটকদের আর ঢুকতে দেওয়া হবে না।

কুলুর তরফ থেকেও একই পরামর্শ দিয়েছে পুলিশ। তাঁদের বক্তব্য আবহাওয়া স্থিতিশীল না হলে পর্যটকদের আর ঢুকতে দেওয়া হবে না।