সময়ের সঙ্গে  সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে রোগের সংখ্যা।ছোট হোক বা বড় বয়স যেন হার মানছে রোগের কাছে। আর এর জন্য বেশিরভাগটাই দায়ি আমরা নিজেরাই। মূলত অনাভ্যাসের কারণ, অনিয়মিত জীবনযাত্রাই দায়ী এর পিছনে। আবার কারও কারও ক্ষেত্রে বিষয়টি একেবারে উল্টো। যাদের জিনগত সমস্যা রয়েছে তারাও বিভিন্ন রোগে ভুগতে পারেন। 

আরও পড়ুন-করিনার টোনড ফিগারের পিছনে রয়েছে এই গোপন রহস্য, জানুন 'ফিটনেস সিক্রেট'...

অনেকেই জানেন অ্যাপেল সিডার ভিনিগারের অনেক উপকারিতা রয়েছে।  অনেকেই সেই কারণে নিয়মিত ভাবে এই অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খেয়ে থাকেন। কিন্তু সঠিক ভাবে নিয়ম না মেনে খেলে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার থেকে যে কোনও বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। তাই নিজেকে সুস্থ রাখতে গেলে মেনে চলতে হবে বেশ কিছু নিয়ম।

আরও পড়ুন-নিয়মিত মাউথ ওয়াশে ধ্বংস হতে পারে করোনা ভাইরাস, জানাল গবেষণা...

অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খাওয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই মেনে চলুন এই নিয়মগুলি-


খাওয়ার আগে অনেকেই যে কোনও জিনিসের গন্ধ শুঁকে নেন। অ্যাপেল সিডার ভিনিগারের ক্ষেত্রে এটা কখনওই করবেন না। কারণ অ্যাপেল সিডার ভিনিগার শুঁকলে চোখ ও নাকের বড় সমস্যা হতে পারে। তাই অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খাওয়ার সময় জলে মিশিয়ে হালকা করেও খেতে পারেন। তাতে এর কড়া গন্ধ আপনার নাকে লাগবে না।

পেট ভরে খাওয়ার পরেই কি অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খাচ্ছেন? তাহলে এই অভ্যেস এখনই ত্যাগ করুন। ভরাপেটে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খেলে শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। ভরা পেটের বদলে খালি পেটে অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খেলে হজমের সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

প্রথমেই একসঙ্গে অনেকটা অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খেয়ে নেবেন না। সবার আগে শরীরের সঙ্গে অভ্যস্ত হতে সময় দিন। শুরুর দিকে অল্প অল্প করে খাওয়া শুরু করুন। তারপর পরিমাণ বাড়ান। না হলে পেটের সমস্যা দেখা দিতে পারে।

অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খেয়েই সঙ্গে সঙ্গে দাঁত ব্রাশ করবেন না। এর ফলে দাঁতের এনামেল ক্ষয়ে যেতে পারে। এবং দাঁতে ক্যাভিটি দেখা দিতে পারে। তাই অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খাওয়ার কমপক্ষে ৩০ মিনিট পরে দাঁত ব্রাশ করুন।

রাতের বেলা ঘুমোতে  যাওয়ার আগে কখনওই অ্যাপেল সিডার ভিনিগার খাবেন না। যদিও খান তাহলে খাওয়ার পর অন্তত ৩০ মিনিট সোজা হয়ে বসে থাকবেন। না হলে কিন্তু অম্বল হয়ে যেতে পারে।