এসি ফার্স্ট কেবিনে এমন দৃশ্য দেখতেই গা গুলিয়ে এল  ভয়ের চোটে সিটে উঠে বসলেন এক চিকিৎসক যাত্রী গা দিয়ে নেমে গেল যেন হিমেল হাওয়ার স্রোত  একাধিক অভিযোগ নিয়ে ফুঁসছে   রাজধানীর যাত্রীরা 

রাজধানী এক্সপ্রেসের কেবিনের আলো নিভতে প্রথমে শান্তি। একু বাদেই বয়ে যায় তারপর হিমেল স্রোত। শিহরিত হয়ে উঠে বসেন এক যাত্রী। দিল্লি-হাওড়া রাজধানী স্পেশালের এসি ফার্স্ট ক্লাসে কেবিনে এমন দৃশ্য দেখতে গা গুলিয়ে এল। মাথায় হাত যাত্রীদের। কেবিনের মধ্য়ে থিকথিক করছে আরশোলা।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

আরও পড়ুন, চড়তে হবে না ট্রেন, হুশ করে হারিয়ে যেতে ঘুরে আসুন কলকাতার এই ঠিকানায়

ক্রমশ গুরুত্ব হারাতে শুরু করেছে এই ট্রেন

ভারতের রাজধানী বলে কথা, দেশের অন্যতম সম্মান। সেই রাজধানী এক্সপ্রেস চালু হয়েছিল ১৯৬৯ সালে। হাওড়া -নয়া দিল্লী পরিষেবা। টিকিটের দাম বেশি হলেও প্রশংসার যোগ্য ছিল পরিষেবাও। প্রত্য়েকেই কাছে এই ট্রেন চড়া মানে বিশেষ অভিজ্ঞতা ব্য়াপার ছিল। গর্বে বুকে ভরে যেত, ক্লান্তি দূরে সরে যেত। কিন্তু এখন সেই অভিজ্ঞতা তিক্ত হতে চলেছে অসংখ্য যাত্রীদের। কলকাতা তথা দেশের মানুষের কাছে ক্রমশ গুরুত্ব হারাতে শুরু করেছে এই ট্রেন। 

আরও পড়ুন, 'দিলীপ ঘোষ চলে যাক গুজরাটে, আমরা বাংলায় ভাল আছি', ভাইফোঁটায় পাল্টা আক্রমণ ফিরহাদের

'শৌচাগারে দুর্গন্ধ, টিস্য়ুও থাকে না' 

শনিবার রাতে রাজধানী এক্সপ্রেসে চড়ে অস্বাস্থকর যে দৃশ্য উঠে আসল তাতে কার্যত বিশ্বাস উঠতে বসেছে যাত্রীদের। একে করোনা পরিস্থিতি, তাই দূরত্ববিধি মানতে গিয়ে পেশায় চিকিৎসক একযাত্রী সাড়ে চার হাজার টাকা দিয়ে এসি ফার্স্ট কেবিন বুক করেন। তার বিনিময়ে এমন পরিষেবা পেয়ে ভীষণভাবেই অবাক সেই চিকিৎসক যাত্রী। 'শৌচাগারে দুর্গন্ধ, টিস্য়ুও থাকে না' অভিযোগ নিয়ে ফুঁসছে অন্য যাত্রীরাও।

আরও পড়ুন, 'তোমার চরণে দিব হৃদয় খুলিয়া', সৌমিত্রকে নিয়ে স্মৃতির শহরে পাড়ি দিলেন বাবুল সুপ্রিয়