সংসদ হামলার বার্ষিকীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা প্রধানমন্ত্রীর  কাপুরুষোচিত হামলা বলে বর্ণনা করেন নরেন্দ্র মোদী  হামলার তীব্র নিন্দা করেন তিনি   

সেই ভয়ঙ্কর দিনের কথা কোনও দিনও ভুলবে না ভারতবাসী। সেই হামলা ভারতীয়দের আত্মসন্মনকে আঘাত করেছিল। সংসদ হামলার ১৯ বছর পর আরও একবার সেই কথাই মনে করিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, ২০০১ সালে আমাদের সংসদে কাপুরুষোচিত আক্রমণ আমরা কোনও দিনও ভুলব না। সংসদ রক্ষয়া যেসব বীর প্রাণ দিয়েছিলল তাদের বীরত্ব আর ত্যাগের কথা কথা স্মরণ করে নরেন্দ্র মোদী তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি আরও বলেছেন গোটা দেশ সর্বদা সেইসব বীরদের প্রতি কৃতজ্ঞ থাকবে। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred
Scroll to load tweet…


১৯ বছর আগে লোকসভা অধিবেশন চলাকালীন লস্কর-ই-তৈবা ও জইশ-ই-মহম্মদের পাঁচ আত্মঘাতী জঙ্গি সংসদে অনুপ্রবেশ করে ও হামলা চালায়। প্রথম দিকে তারা একতরফা হামলা চালায়। পরবর্তী সময় জঙ্গি হামলা প্রতিহত করে দিল্লি পুলিশ ও সিআরপিএফ জওয়ানরা। আর জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াই করতে গিয়ে দিল্লি পুলিশের পাঁচ কর্মী, সিআরপিএফএর এক মহিলা কনস্টেবল ও সংসদের ওয়াচ ও ওয়ার্ড বিভাগের দুই নিরাপত্তা রক্ষী প্রাণ হারিয়েছিলেন। ১৩ ডিসেম্বর সংসদ হামলায় পাঁচ জঙ্গি নিহত হয় ভারতীয় নিরাপত্তা রক্ষীদের হাতে। সংসদের এক মালি ও চিত্র সাংবাদিকও জঙ্গিদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছিলেন।

কৃষকদের পাল্টা পথে নামার পরিকল্পনা বিজেপির, বিক্ষোভ ছেড়ে আলোচনায় আসতে বললেন তোমর ...

পূর্ব লাদাখ সীমান্তে কড়া নজর রাখছে ভারত, চিনকে সতর্ক করে বার্তা বিদেশ মন্ত্রকের ...

সেদিনের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছিল। পাকিস্তানের মদতেই সন্ত্রাসবাদী হামলা হয়েছিল বলে সুর চড়িয়েছিল ভারত। যদিও বিষয়টি মেনে নিতে প্রথমে রাজি ছিল না পাকিস্তান।সংসদ হামলার মাস্টার মাইন্ড হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল আফজল গুরু, শওকত হুসেন, আফসান গুরু ও এসআর গিলানিকে। কয়েক দিনের মধ্যেই চারজনকে গ্রেফতার করা হয়। তারপর তাদের বিরুদ্ধে একবছর ধরে চলে মামলা। শেষপর্যন্ত দুজনকে খাাস করে দিলেও একজনকে ফাঁসিকাঠে ঝোলান হয়েছিল।