দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২৩ হাজার ছুঁয়ে ফেলেছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী বর্তমানে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ২৩,০৭৭। এদের মধ্যে সক্রিয় কেসের সংখ্যা ১৭,৬১০। এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪৭৪৯।  আর মৃতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে ৭০০ গণ্ডি। বর্তমানে দেশে মৃতের সংখ্যা ৭১৮।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা সংক্রমণের শিকার হয়েছেন ১৬৮৪ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ৩৭ জনের। যাদের মধ্যে রয়েছে ৪ মাসের একটি শিশুও। ৪ মাসের ওই শিশু কেরলে করোনার মৃত্যু মিছিলে সবচেয়ে কমবয়সী বলে জানাচ্ছেন মাল্লাপুরম জেলার মেডিক্যাল অফিসার। গত ৩ মাস ধরে শিশুটির হৃদদরোগে সংস্যা দেখা দিয়েছিল, সঙ্গে নিউমোনিয়াতেও সে আক্রান্ত হয়। জানা যাচ্ছে শ্বাসকষ্টের সমস্যা দেখা দেওয়ায় শিশুটিকে গত ১৭ এপ্রি প্রথমে মাঞ্জেরির একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই দিনই শিশুটির নিউমোনিয়া ধরা পড়ে। তারপর তাকে কোঝিকোডের মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। 

 

 

একদিকে যেমন করোনা সংক্রমণে ৪ মাসের শিশুর মৃত্যুর মত হৃদয় বিদারক খবর রয়েছে তেমনি আশার আলো দেখাচ্ছে ৯২ বছরের এক বৃদ্ধা সুস্থ হয়ে ওঠার কাহিনী। কোভিড ১৯ টেস্টে পজিটিভ হওয়ার ১৪ দিন পর সুস্থ হয়ে উঠেছেন মহারাষ্ট্রের পুনের বাসিন্দা ওই বৃদ্ধা। যিনি সম্প্রতি স্ট্রোকে আক্রান্ত হন, এবং যাঁর বাম দিকের অংশ পক্ষঘাতগ্রস্ত। 

দিল্লিতে একসঙ্গে আক্রান্ত হাসপাতালের ১৪ জন চিকিৎসক , মহারাষ্ট্রে কোয়ারেন্টাইনে প্রায় ৮৩ শতাংশ

ফের নজির গড়ল উত্তর-পূর্ব ভারত, এবার করোনা ফ্রি রাজ্য হল ত্রিপুরা

তৃতীয় বিশ্বের চেয়েও খারাপ পরিণতির পথে আমেরিকা, রেকর্ড গড়ে একদিনে মৃত্যু ৩ হাজার ছাড়াল

তবে দেশে বয়স্ক ব্যক্তিদের সুস্থ হয়ে ওঠার ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগে করোনাভাইরাসকে জিতে সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন এক বৃদ্ধ দম্পতি। কোভিড ১৯ রোগের শিকার হয়েছিলেন  কেরলের পাথানামথিট্টার বাসিন্দা ৯৩ বছরের থমাস আব্রাহাম এবং তাঁর ৮৮ বছরের স্ত্রী মারিয়াম্মা। জীবনের আশা যখন ছেড়েই দিয়েছিল পরিবারের লোকজন, তখনই ঘটে ‘মির‍্যাকল’। সকলকে অবাক করে দিয়ে কোট্টায়াম মেডিক্যালের ডাক্তাররা জানান, করোনা মুক্ত হয়েছেন থমাস আর মারিয়াম্মা। এখন কোয়ারেন্টাইনে থাকলেও শরীর পুরোপুরি সুস্থ দু’জনেরই।