আবারও প্রশ্ন চিহ্নের মুখে পড়তে চলেছিল উদ্ধব ঠাকরের মুখ্যমন্ত্রীত্ব। কারণ করোনা সংক্রমণের কারণে গোটা দেশজুড়েই নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে চলছে লকডাউন। এই পরিস্থিতিতে নির্বাচনে আপত্তি ছিল নির্বাচন কমিশনের। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মেয়াদ ফুরিয়ে আসছিল উদ্ধব ঠাকরের। কারণ বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী ছিলেন না। ভোটে জিতে বাধানসভায় প্রবেশ করেননি। রাজ্যপালের মনোনীত প্রার্থী হিসেবেই মসনদে বসেছিলেন। কিন্তু নিয়ম অনুযায়ী ৬ মাসের মধ্যেই তাঁকে রাজ্যের কোনও কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে। 

সংসদীয় নিয়ম অনুযায়ী উদ্ধব ঠাকররের হাতে সময় ছিল ২৮ মে পর্যন্ত। কারণ গত ২৮ নভেম্বর মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি শপথ গ্রহণ করেছিলেন। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে গতকালই উদ্ধব প্রাধনমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছিলেন। তারপরই খুলতে থাকে জট। সূত্রের খবর শুক্রবারই রাজ্যপাল ভগৎ সিং কোশিয়ারি নির্বাচন কমিশনেরর কাছে চিঠি লিখেছেন। সূত্রের খবর রাজ্যপাল জানিয়েছেন, বিধান পরিষেদের ৯টি আসনে নির্বাচনে কোনও সমস্যা নেই। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই লকডাউন শিথিল করছে কেন্দ্র । এই অবস্থায় দাড়িয়ে নির্বাচনের আর্জি জানিয়েছেন রাজ্যরাল। 

সূত্রের খবর আগামী ২১ মে নির্বাচনের পরিকল্প নেওয়া হচ্ছে। করোনা আক্রান্ত রাজ্যগুলির মধ্যে অন্যতম মহারাষ্ট্র। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে যথেষ্ট চেষ্টা করছেন উদ্ধব ঠাকরে। 

আরও পড়ুনঃ করোনা মোকাবিলার পর এবার নতুন রেকর্ড কেরলের, পাশে রয়েছে গুরুগ্রামও ...

আরও পড়ুনঃ অভিবাসী শ্রমিকদের জন্য সুখবর, আটকেপড়াদের বাড়ি ফেরাতে বিশেষ ট্রেন রেল মন্ত্রকের ...

আরও পড়ুনঃ নিরাপদ দূরত্ব থোড়াই কেয়ার, ৫ ঘণ্টা ধরে তরুণীর ওপর নৃশংস অত্যাচার, মধ্যপ্রদেশে গণধর্ষণে অভিযুক্ত ৭ ...

মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধেই লড়াই চালিয়েছিল শিবসেনা। কিন্তু নির্বাচন পরবর্তীকালে দুই দলের সম্পর্কে চিড় ধরে। ভেঙে যায় দীর্ঘদিনের জোট। মহারাষ্ট্রের সরকার গঠন নিয়ে তৈরি হয় চরম সংকট। মাঝে দেবেন্দ্র ফড়ণবিশ মাত্র ৭২ ঘণ্টার জন্য সরকার গঠও করেন। কিন্তু রাতরপরই বদলে যায় রাজনীতির খেলা। সেই সময়ই  বিজেপির হাত ছেড়ে কংগ্রেস ও এনসিপির হাত ধরেই মুখ্যমন্ত্রীর মসনদে বসেন উদ্ধব। তারপর থেকেই তাঁর প্রতিপক্ষ হয়ে যায় বিজেপি।