নতুন করে আবারও করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পয়েছে। সংক্রমণ রুখতে নতুন করে জারি করা হয়েছে গাইডলাইন। নতুন গাইডলাইনে মাস্ক পরার ওপর প্রবল জোর দেওয়া হয়েছে। অমরাবতী যাবত্মাল জেলায় লকডাউনের কথা ঘোষণা করেছে স্থানীয় প্রশাসন স্থানীয় প্রশাসন। মহারাষ্ট্র সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার রাজ্যে ৫০০০ জনেরও বেশি মানুষ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। ৭৫ দিন পরে এই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে, যা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মহারাষ্ট্র সরকার ও স্বাস্থ্য মন্ত্রক। 

সংক্রমণ রুখতে অমরাবতী ও যাবত্মাল দুটি জেলায় লকডাউন জারি করা হয়েছে। শনিবার রাত ৮টা থেকে সোমবার সকাল ৭টা পর্যন্তু তালাবন্দি থাকবেল গোটা এলাকা। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দুটি জেলায় করোনাভাইরাস সংক্রান্ত বিধিনেষেধ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আরও বেশ কয়েকটি জেলায় করোনাভাইরাস সংক্রান্ত বিধিনেষেধ কঠোর করা হয়েছে বলেও সূত্রের খবর। 

ইতিমধ্যেই চালু করা হয়েছে মুম্বইয়ের লাইফ লাইন রেল। সংক্রমণ রুখতে রেলযাত্রীদের জন্য মাস্কের ব্যবহার কঠোর করা হয়েছে। যাত্রীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়ে ৩০০ মার্শাল নিয়ে করা হবে বলেও জানান হয়েছে প্রশাসনের তরফ থেকে। যাদের মূল উদ্দেশ্য হবে নিয়ম ভাঙার অভিযোগে প্রতিদিন ২৫ হাজার যাত্রীকে পাকড়াও করা। মাস্কের ব্যবহার না করলে জরিমানা করা হবে বলে আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল। 

বিএমসির পক্ষ থেকে জানান হয়েছে, করোনাভাইরাস সংক্রান্ত নিয়মবিধি মানা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্য বিবাহ অনুষ্ঠান, ক্লাব রেস্তোঁরাতেও অভিযান চালান হবে। একটি ফ্ল্যাটে যদি ৫০ জনেরও বেশি কোভিড রোগী থাকে তাহলে সেটি সিল করে দেওয়া হবে। যারা করোনাভাইরাসের আক্রান্ত তাদের বিচ্ছিন্ন থাকার পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের কোয়ারান্টিনে থাকার পরামর্শ দেওযা হয়েচে। ব্রাজিল থেকে মুম্বই আসা যাত্রীদের করোনাভাইরাস সংক্রান্ত পরীক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। 

মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়চে সেই তথ্য সামনে আসে রবিবার। ডিসেম্বরের পর গত রবিবারেই এই রাজ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪ হাজার ৯২। ৭৫ দিনের ব্যবধানে এদিন করোনা আক্রান্তের সংখ্যা নথিভুক্ত হয়েছে ৫ হাজার। বুধবার রাজ্যে আক্রান্তের সংথ্যা ছিল ৪ হাজার ৭৮৭। মঙ্গলবার শুধুমাত্র অমরাবতীতেই আক্রান্ত হয়েছে ২২০। বিদর্ভ এলাকায় কয়েকটি জেলাতেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলেও জানান হয়েছে।