প্রায় ২ বছর কঠোর পরীক্ষার পর অবশেষে ভারতীয় নৌবাহিনীতে যুক্ত  করা হল আইএনএস করঞ্জকে। এটি ভারতের তৈরি তৃতীয় প্রজন্মের স্করপেন শ্রেণির সাবমেরিন। সমুদ্রে পরীক্ষার জন্য ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে এই সাবমেরিনটি চালু করা হয়েছিল। সমর বিশেষজ্ঞদের আশা এটি ভারতীয় নৌবাহিনীর শক্তি ও ক্ষমতা আরও বাড়িয়ে তুলবে। 

নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাব করমবীর সিং করঞ্জ সাবমেরিন নিয়ে যথেষ্ট আশা প্রকাশ করেছেন। অবসরপ্রাপ্ত সেনা আধিকারিক ভিএস সেখাওয়াতে উপস্থিতিতেই করঞ্জকে ভারতীয় নৌবাহিনীতে যুক্ত করা হয়। ভিএস শেখাওয়াত ১৯৯৭ সালে ভারত -পাক যুদ্ধের সময় পুরনো করঞ্জ যুদ্ধ জাহাজের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি বলেন পুরনো আর নতুন করঞ্জের মধ্যে আকাশ পাতাল ফারাক রয়েছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর থেকে সাবমেরিনগুলি প্রযুক্তিগত পরিবর্তন শুরু হয়েছিল। তা এখনও অব্যাহত রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। তিনি আরও বলেছেন বর্তমান পরিস্থিতিতে শত্রুর সংহিসতার মোকাবিলার করার জন্য সমুদ্রে শক্তিশালী হয়ে ওঠার প্রয়োজন রয়েছে। কারণ প্রতিকূল পরিস্থিতিতে শত্রুকেই সামনে থেকে সরিয়ে দিতে হবে। কিন্তু শক্তিশালী না হলে প্রতিরক্ষকে সামনে থেকে সরিয়ে দেওয়া যাবে না। তিনি আরও বলেন সমুদ্র যুদ্ধের সময় পালানোর বা লুকিয়ে পড়ার কোনও জায়গা নেই।

বিজেপির জন্য নিজেকে ব্রাহ্মণ প্রমাণের চেষ্টা করেছেন, মমতাকে নিশানা করে বললেন অধীর ...

ভারতই হতে পারে বিশ্বের দ্রুততম আর্থনৈতিক বিকাশের দেশ, দাবি প্যারিসের সংস্থার সমীক্ষায় ...

প্রকল্প ৭৫-এর অধীনে বেশ কয়েকটি সাবমেরিন তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। যার মধ্যে একটি হল করঞ্জ। প্রতিরক্ষা গবেষণা উন্নয়ন সংস্থার তৈরি করা ইন্ডিপেন্ডেট প্রোপালশন সিস্টেমের ট্রায়লগুলি  সদ্যোই সম্পন্ন করেছে।  আইএনএস করঞ্জ স্করপেন শ্রেণির সাবমেরিনগুলির মধ্যে তৃতীয়। এটি যুদ্ধকার পাশাপাশি পাহারা দেওয়ার কাজেও ব্যবহার করা যাবে। ফ্রান্সের সাবমেরিন নির্মাতা নেভাল গ্রুপের সহযোগিতায় মুম্বইয়ের ম্যাজাগন ডক লিমিটেডের উদ্যোগে এটি তৈরি হয়েছে। প্রথম ভারতীয় তৈরি হয়েছে কলাভরী সাবমেরিন। ২০১৫ সালে সেটি নৌবাহিনীতে যুক্ত করা হয়েছিল।