ফের শিরোনামে র‍্যাগিং-এর ঘটনা অন্যায় হলেও এতেই মেতে ওঠে কলেজ পড়ুয়ারা শাস্তিযোগ্য অপরাধ হলেও 'র‍্যাগিং-কে নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না ওড়িশা-র এক ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘটল র‍্যাগিং-এর ঘটনা

হাজারো চেষ্টা চলছে। কিন্তু কোনওভাবেই র‍্যাগিং-এর মতো ঘটনাকে নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। প্রতিবছরই বহু সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী -কে এই র‍্যাগিংয়ের শিকার হতে হয়। বহুক্ষেত্রে অনেকেরও প্রাণ চলে যায়। কিন্তু কোনওভাবেই বন্ধ করা যায়নি এই ভয়ঙ্কার অপরাধ। 

সব কলেজে গেলেই দেখা যায় লেখা আছে 'র‍্যাগিং করা দন্ডনীয় অপরাধ', তবে এতেও থেমে থাকেনি র‍্যাগিং। মা-বাবা স্বপ্ন নিয়ে তার সন্তানকে পাঠান লেখা পড়া করতে, ছেলে- মেয়েরাও তাদের ভবিষ্যতের কথা ভেবে শহরে পড়তে আসে। তবে সেই স্বপ্নই অধরা থেকে যায় যখন র‍্যাগিংয়ের ফলে ছেলে বা মেয়েটিকে তার কলেজ শেষ করার আগেই বাড়ি ফিরে যেতে হয় বা প্রাণ হরাতে হয়। বারবার এই অন্যায় বন্ধ করার চেষ্টা হলেও আজও তা বন্ধ হয়নি।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred
Scroll to load tweet…

চলতি বছরেও এই ছবি দেখা গেছে কিছুদিন আগেই। কিছুদিন আগেই উত্তরপ্রদেশের একটি মেডিক্যাল কলেজে র‍্যাগিংয়ের ঘটনা সামনে আসে। সেখানে প্রথম বর্ষের ছাত্রদের মাথা নেড়া করে দেওয়া হয়েছিল। এবার র‍্যাগিংয়ের ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার সম্বলপুরের একটি জনপ্রিয় ইঞ্জিনিয়ারং বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে র‍্যাগিংয়ের এই ছবিটা বেশ ভয়ঙ্কর। এই র‍্যাগিং-এর একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। এতে দেখা যাচ্ছে প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রদের প্রায় নগ্ন করে নাচ করাচ্ছে সিনিয়ররা। তাদের পরণে শুধু অন্তর্বাসটুকু ছাড়া জামা-কাপড়ের আর কোনও লেশমাত্র ছিল না। এই ভিডিওটি এখন ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। 

তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, ওড়িশা-র বীর সুরেন্দ্র সাই ইউনির্ভাসিটি অফ টেকনোলজি -র ক্যাম্পাসেই ঘটনাটি ঘটেছে। ভাইরাল ভিডিও সামনে আসার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। ভাইরাল ভিডিও-টি নজরে আসে ওড়িশার প্রযুক্তি মন্ত্রী প্রমানন্দ নায়েকরও। তিনি ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেন। তদন্তে ১০ জন ছাত্রের নাম উঠে আসে। এই ১০ ছাত্রকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। র‍্যাগিংয়ের অপরাধে জড়িত ৫২ জন ছাত্রকে মাথাপিছু ২০০০ টাকা জরিমানারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।