জম্মু ও কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখা পার করে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল দুই লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি। কিন্তু ধরা পড়ে যায় ভারতীয় সেনার হাতে। আর তাদের জেরা করেই ফাঁস হয়েছে উপত্যকায় জঙ্গি গোষ্ঠীটির বড়সড় হামলা চালানোর ছক। বুধবার ওই দুই জঙ্গির স্বীকারোক্তির ভিডিও প্রকাশ করে এই তথ্যই জানিয়েছে জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ।

চিনার কর্পসের কমান্ডার লেফট্যানেন্ট জেনারেল, কেজেএস ধিলোঁ এবং জম্মু-কাশ্মীরের পুলিশ প্রধান মুনির খান এদিন এই বিষয় নিয়ে যৌথ সাংবাদিক সম্মেলন করেন। সেখানেই জানানো হয় ২২ অগাস্ট গভীর রাতে খলিল আহমেদ ও মোজাম খোকর নামে দুই পাক জঙ্গি বারামুলার বনিয়ার সেক্টরে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে।

আরো পড়ুন - কপালে বিভূতি, সাধুর বেশে ঘুরছে ছয় লস্কর জঙ্গি! জারি উচ্চ সতর্কতা

আরও পড়ুন - ভুয়ো পোস্টের ফাঁদে প্রাক্তন পাক রাষ্ট্রদূতই, পর্ন-তারকাকে নিয়ে করে বসলেন বড় দাবি

আরো পড়ুন - জম্মু-কাশ্মীরের কথা শুনলেন অমিত, ৩৭০ ধারা বাতিলের পর এই প্রথম, কী আশ্বাস দিলেন

আরো পড়ুন - থমথমে উপত্যকা, দু'চোখে রঙীন স্বপ্ন নিয়েও বিয়ের আয়োজনে কাটছাঁট করছে কাশ্মীরি কনেরা

জেরার মুখে তারা জানিয়েছে, ভারতে তাদের পাঠানো হয়েছিল রেইকি করতে, অর্থাৎ হামলার আগে এলাকা পরিদর্শনের জন্য। তাদের হ্যান্ডলার সীমান্তের ওইপারে বড় সংখ্যক জঙ্গিকে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। রেইকি সেড়ে তারা গিয়ে রিপোর্ট করলে, সেই জঙ্গিদের ভারতে পাঠিয়ে উপত্যকার শান্তি বিঘ্নিত করার পরিকল্পনা ছিল।

সেনাবাহিনীর গোয়েন্দাদের কাছে খবর রয়েছে, নিয়ন্ত্রণরেখার ওইপারেই প্রায় ৫০ জন পাক সেনা সদস্য সন্ত্রাসবাদীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে। এরপর তাদের কাশ্মীরের রেশিয়ান গালি ও কাদলান গালি দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করাবে পাক সেনাবাহিনী। এর বাইরে পাক সেনাবাহিনীর ৮০ থেকে ৯০ জন এসএসজি কমান্ডোকেও মুজফ্ফরাবাদ এলাকায় প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। এঁরা হাজিপুর নালা এলাকায় ভারতীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে পাক বাহিনীর বর্ডার অ্যাকশন টিম-এর হয়ে কাজ করবে। একই সঙ্গে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পাল্টা আক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর বাঙ্কারও বানাচ্ছে পাকিস্তান।