চিনে করোনা ভাইরাসের প্রভাবে ক্রমেই বাড়ছে মৃত্যু মিছিল। মৃতের সংখ্যা পেরিয়ে গিয়েছে ২০০ গণ্ডি। পরিস্থিতি ক্রমাগত ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। চিনে আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছে গেছে ১০ হাজারের কাছাকাছি। এই অবস্থায় চিনে আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরাতে বিশেষ ব্যবস্থা নিচ্ছে ভারতীয় সেনা।

আরও পড়ুন: ফের মার্কিন মুলুকে ভারতীয়র কামাল, আইবিএম-এর নতুন সিইও হচ্ছেন অরবিন্দ কৃষ্ণা

চিনে গত ডিসেম্বরে উহান শহরে সবার প্রথমে ছড়ায় এই ভাইরাস। ক্রমে হুবেই প্রদেশ হয়ে গোটা চিন জুড়ে এখন আধিপত্য স্থাপন করেছে এই মারণ ভাইরাস। ছড়িয়ে পড়ছে বিশ্বের অন্যান্য প্রান্তেও। ইতিমধ্যে কেরলে একজনের শরীরে পাওয়া গিয়েছে করোনা ভাইরাস। তাই বাড়তি সতর্কতা ভারত জুড়েও।

 

 

করোনা আতঙ্কের মধ্যেই চিন থেকে  দেশে ফিরছেন ৩০০ ভারতীয় পড়ুয়া। রোগ যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তাই তাদের বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা করছে ভারতীয় সেনা। হরিয়ানার মানেসরে তাদের জন্য  করা হয়েছে থাকার ব্যবস্থা। সেখানে চিন থেকে আসা ভারতীয়দের তত্ত্বাবধানে নিয়োজিত থাকবেন চিকিৎসক ও নার্সের দল। আগামী কয়েক সপ্তাহ সেনার পর্যবেক্ষণে থাকতে হতে চিন থেকে আসা এই ভারতীয় পড়ুয়াদের। এয়ার ইন্ডিয়ার বিশেষ বিমানে করে দেশে ফিরছেন এই পড়ুয়ারা।

 

এদিকে দিল্লিতে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত সন্দেহে ৫ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতেই তাঁদের রামমনোহর লোহিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এদিকে আগে থেকেই করোনা সন্দেহে রাজধানীতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন এক ব্যক্তি। গত ২৭ তারিখ তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ফলে দিল্লিতে বর্তমানে করোনা সরন্দে ভর্তি রয়েছেন মোট ৬ জন রোগী। চিকিৎসাধীন সকলেরই বয়স ২৫ থেকে ৪৫ বছরের মধ্যে। 

আরও পড়ুন: বাজেট অধিবেশনের শুরুতেই নাগরিকত্ব প্রসঙ্গ রাষ্ট্রপতির গলায়, বললেন 'প্রতিবাদের নামে হিংসা দেশকে দুর্বল করে'

 

 

এদিকে কেরলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর দেখা মেলার পর এদিন ত্রিশুরে বিশেষ। বৈঠকে বসেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে কে শৈলজা। চিন থেকে আসা ভারতীয়দের ২৮ দিন জনসমাজ থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।