অসমের চুড়ান্ত নাগরিকপঞ্জী প্রকাশের পর কেটে গিয়েছে ১৫দিন ১৯ লক্ষেরও বেশি মানুষ বাদ পড়েছেন সেই তালিকা থেকে তালিকায় যাদের নাম রয়েছে তাঁরাও নিশ্চিন্ত নন কারণ কর্তৃপক্ষের দাবি চুড়ান্ত তালিকাতে থাকা ব্যক্তিদের নথিতেও ভুল বের হলে তাদের নাম বাদ যাবে 

অসমের চুড়ান্ত নাগরিকপঞ্জী প্রকাশের পর কেটে গেল ১৫দিন। নাগরিকত্বের আবেদন করা ১৯ লক্ষেরও বেশি মানুষ বাদ পড়েছিলেন সেই তালিকা থেকে। তাদের ফের ১২০ দিন সময় দেওয়া হয়েছে ফরেনার্স ট্রাইবুনালে নতুন করে আবেদন করার। কিন্তু, তালিকায় যাদের নাম উঠেছে, তারাও নিশ্চিন্ত থাকতে পারছেন না। কারণ নাগরিকপঞ্জী প্রস্ততকারী কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, চুড়ান্ত তালিকাতে থাকা ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও যদি পরে কখনও দেখা যায় তাঁর বিশদ বিবরণ বা জমা দেওয়া নথিগুলির ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে, সেই ক্ষেত্রে তাদের নাম বাদ যাবে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

কী কী কারণে নাগরিকপঞ্জীতে অবৈধ ঘোষণা হবে

- ১৯৭১ সালের পরে ভারতে প্রবেশ করলে

- ১৯৬৬ থেকে ১৯৭১ -এর মধ্য়ে এসেছেন অথচ ফরেনার রিজিওনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসে নাম নথিভুক্ত করাননি

- উপরে উল্লেখ করা ব্যক্তিদের বংশধর

- ফরেনার্স ট্রাইবুনালে মামলা এখনও শেষ হয়নি

- ডি-ভোটার বা সন্দেহজনক ভোটারদের তালিকায় নাম থাকলে

আরো পড়ুন - অনলাইনে প্রকাশিত হল অসমের পূর্ণাঙ্গ নাগরিক তালিকা, স্বস্তিতে ৩.৩০ কোটি মানুষ

আরো পড়ুন - জায়গা হতে পারে তাঁদেরই, জেনেও অসমে ভারতের প্রথম গণ বন্দি-শিবির তৈরি করছেন শেফালিরা

আরো পড়ুন - চন্দ্র অভিযানে 'কলঙ্ক', এনআরসি তালিকায় নাম নেই চন্দ্রযান-২-এর বিজ্ঞানীর

আরো পড়ুন - নাম নেই শুনেই কুয়োয় ঝাঁপ বৃদ্ধার, ভুতুরে এনআরসি তালিকা দেখে কিংকর্তব্যবিমূঢ় বাসিন্দারা

কাজেই গত ৩১ অগাস্ট প্রকাশ করা নাগরিকপঞ্জির তালিকাই চুড়ান্ত তালিকা নয় বলা হচ্ছে। বাদ পড়া ১৯ লক্ষ মানুষের মধ্যে যেমন ফরেনার্স ট্রাইবুনালে নিজেদের নাগরিকত্বের প্রমাণ দিয়ে এনআরসি তালিকায় ঢুকে পড়তে পারেন অনেকেই। সেই রকমভাবেই 'চুড়ান্ত' তালিকায় থাকা অনেকের নামের পাশেই বিদেশী তকমা পড়তে পারে। সেই ক্ষেত্রে তালিকা থেকে বাদ পড়তে হবে তাঁদের।