Ayodhya Fire: উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা শহরে বড়সড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। সরযূ নদীর তীরের রাজঘাট এলাকায় চলা শ্রী লক্ষ্মী নারায়ণ মহাযজ্ঞে শনিবার আচমকাই আগুন লেগে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ভক্ত ও আয়োজকদের মধ্যে আতঙ্কে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়।

Ayodhya Fire: উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যা শহরে বড়সড় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়াল। সরযূ নদীর তীরের রাজঘাট এলাকায় চলা শ্রী লক্ষ্মী নারায়ণ মহাযজ্ঞে শনিবার আচমকাই আগুন লেগে যায়। মুহূর্তের মধ্যে সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে গোটা যজ্ঞস্থলে। জানা গিয়েছে, এই মহাযজ্ঞে মোট ১২৫১টি হোমকুণ্ড তৈরি করা হয়েছিল, যেখানে একসঙ্গে বৈদিক আচার চলছিল। আগুনের তীব্রতায় সেই কুণ্ডগুলির বেশিরভাগই পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ভক্ত ও আয়োজকদের মধ্যে আতঙ্কে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

মহাষজ্ঞের শেষ দিনে ভয়াবহ আগুন 

এই মহাযজ্ঞ শুরু হয়েছিল ২০ মার্চ এবং শনিবারই ছিল শেষ দিন। আয়োজনটি হয়েছিল জিয়ার স্বামীজি মহারাজের তত্ত্বাবধানে। অনুষ্ঠানে উত্তরপ্রদেশ সরকারের একাধিক মন্ত্রী ও জনপ্রতিনিধিও উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যেই ছিলেন পরিবহণমন্ত্রী দয়াশঙ্কর সিং ও গোসাইগঞ্জের বিধায়ক অভয় সিং।

দেখুন ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের ভিডিও

Scroll to load tweet…

ঘটনাস্থলে দমকল বাহিনীর বেশ কয়েকটি ইঞ্জিন

হঠাৎ আগুন লাগার ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়ালেও দ্রুত দমকল বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ শুরু করে। এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহত বা আহতের খবর মেলেনি, যা স্বস্তির। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, যজ্ঞের মূল আচার শেষ হয়ে গিয়েছিল এবং ঘটনাস্থল অনেকটাই ফাঁকা ছিল। ঠিক কী কারণে আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। প্রশাসনের তরফে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দেখুন ভিডিও

Scroll to load tweet…

৯ দিন ধরে চলে এই মহাযজ্ঞ

উল্লেখ্য, রাম নবমী উপলক্ষে এই মহাযজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছিল। বিশ্বশান্তি ও কল্যাণ কামনায় ৯ দিন ধরে প্রতিদিন হাজার হাজার ভক্ত এতে অংশ নিয়েছিলেন। সরযূ নদীর তীরবর্তী রাজঘাট ধর্মীয় দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান। তবে এত বড় আয়োজনের মাঝেও অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঠ, ঘি, আগুনের ব্যবহার ও বাতাস—এই সবকিছু মিলিয়েই এমন ঘটনায় ঝুঁকি বাড়ে। ভবিষ্যতে এই ধরনের বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠানে আরও কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা উঠছে।