অযোধ্যার রাম মন্দির তহবিলের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে তদন্ত আরও জোরদার হয়েছে। পুলিশ এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত অবিনাশ শুক্লার বাড়িতে হানা দেয়। এই ঘটনায় অভিযুক্তের ভাই জানিয়েছেন, দোষী প্রমাণিত হলে পরিবার তাঁর পাশে থাকবে না। এর আগে নৈতিক দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করেছেন ট্রাস্টের দুই কর্তা।

রাম মন্দির নির্মাণের জন্য সংগৃহীত অনুদানের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে তদন্ত আরও জোরদার হল। রবিবার অযোধ্যায় এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত অবিনাশ শুক্লার বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশের একটি দল। তদন্তের দায়িত্বে থাকা সার্কেল অফিসার (CO) আশুতোষ কুমারের নেতৃত্বে এই দলটি অবিনাশের বাড়িতে যায়। সেখানে তাঁরা জিজ্ঞাসাবাদ চালান এবং তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করেন। পরে ওই সিনিয়র পুলিশ অফিসারকে সেখান থেকে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়।
রাম মন্দিরের ঘটনায় অভিযুক্তের পরিবারের সওয়াল
এই ঘটনা নিয়ে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেন অভিযুক্তের ভাই অভিষেক শুক্লা। তিনি সাফ জানিয়ে দেন, মন্দিরের তহবিলের টাকা নয়ছয়ের ঘটনায় জড়িত প্রমাণিত হলে পরিবার কারও পাশে দাঁড়াবে না।
অভিষেক শুক্লা বলেন, "তদন্ত চলছে। ও যদি কোনও অপরাধ করে থাকে, তাহলে জেলে যাবে। যেই হোক না কেন, অপরাধ করলে শাস্তি হবেই। এই মামলায় যারা জড়িত, আমরা তাদের পাশে দাঁড়াতে পারি না।"
রাম মন্দিরে চুরির পর পদত্যাগ
প্রসঙ্গত, শুক্রবার এই দুর্নীতির নৈতিক দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করেন শ্রী রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই এবং ট্রাস্টি সদস্য অনিল মিশ্র। অযোধ্যার রাম মন্দিরে পাওয়া অনুদানের টাকা নয়ছয়ের অভিযোগে একটি এফআইআর (FIR) দায়ের হওয়ার পরেই এই ঘটনাপ্রবাহ শুরু হয়। উত্তরপ্রদেশ সরকারের নির্দেশে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) ৩০৬, ৩১৬(৫), ৩১৭(৪), ৩১৭(৫), ৬১ এবং ৩(৫) ধারায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে।
এফআইআর-এ নাম রয়েছে অনুকল্প মিশ্র, লবকুশ মিশ্র, অবিনাশ শুক্লা, টিনু যাদব, মণীশ যাদব এবং আরও কয়েকজনের। অযোধ্যার প্রাক্তন সপা বিধায়ক পবন পাণ্ডের অভিযোগের ভিত্তিতে এই তদন্ত শুরু হয়। তাঁর দাবি, রাম মন্দিরের অনুদান থেকে প্রায় ৭ থেকে ৭.৫ কোটি টাকা নয়ছয় করা হয়েছে।


