বাটলা হাউস এনকাউন্টার কেসে সোমবার দিল্লি হাইকোর্ট ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের সদল্ আরিজ খানকে দোষী সাব্যস্ত করল। আরিজ খানের বিরুদ্ধে দিল্লির পুলিশ ইন্সপেক্টর মোহনচাঁদ শর্মাকে হত্যা সহ একাধিক অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। ২০০৮ সালে দিল্লির বাটলা হাউসে এনকাউন্টারের পরই থেকেই সে ফেরার ছিল। ২০১৮ সালে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল তাকে গ্রেফতার করে। আরিজ খান ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের অন্যতম সদস্য ছিল বলেও দাবি করা হয়েছে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে। 

সোমবার অতিরিক্ত দায়রা জাজ সন্দীপ যাদব বলেছেন, রাষ্ট্রপক্ষের উত্থাপিত প্রামণ  সমস্ত সন্দেহ দূর করেছে। সম্পূরণভাবে প্রমাণের ভিত্তিতেই আরিজ খানকে দোষী সাব্যস্ত করা হচ্ছে। আরও বলা হয়েছে পুলিশ কর্মীদের ওপর আরিজ ও তার সহকর্মীরা গুলি চালিয়েছিল -- এমন প্রমানও পাওয়া গেছে। আগামী ১৫ মার্চ সাজা পরিমাণ নিয়ে শুনানি হবে বলেও জানিয়েছে আদালত। 

ভারতকে 'বন্ধু' বলেও সীমান্ত নিয়ে দোষারোপ, লাদাখ নিয়ে মুখ খুললেন চিনা বিদেশ মন্ত্রী ...

শূন্য থেকে শুরু করে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করতে পারে গেরুয়া শিবির, তেমনই ইঙ্গিত এই রাজ্যের ভোট সমী...

আরিজ খান বাটলা হাউস এনকাউন্টারের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত ছিল। সেখানেই পুলিশ আধিকারিক মোহনচাঁদ শর্মাকে গুলি করা হয়েছিল, পরবর্তীকালে হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। দিল্লি পুলিশ দাবি করেছিল ২০০৮ সালে জামিয়ানগরে এনকাউন্টার চলাকালীন আরিজ ও তার সহকর্মী বাটলা হাউসে উপস্থিত হয়েছিল। এই বাটলা হাউস এনকাউন্টারেই নিহত হয়েছিল ইন্ডিয়ান মুজাহিদিনের নেতা ও অরাপেশনস প্রধান অতিফ আমিন। আতিফ ভারতে বেশ কয়েকটি সন্ত্রাসবাদী হামলার সঙ্গে জড়িয়ে ছিল। আরিজ খানের মাথার দাম ১০ লক্ষ টাকাও ঘোষণা করা হয়েছি। এনআইএ-এ আরিজ খানের কার্যকলার নিয়ে তদন্তে নেমেছিল। এনআইএ-র দাবি আরিজ হামলার ষড়যন্ত্র, সন্ত্রাসবাদী নিয়োগ, সংগঠনের জন্য অর্থ জোগাড় সহ একাধিক বেআইনি কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল।