এনআরসি ইস্যু নিয়ে ফের বিপাকে মমতা বন্দোপাধ্যায়। এদিন এনআরসি প্রসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপির বিধায়ক সুরেন্দ্র সিং। প্রসঙ্গত, এর আগে অসমে এনআরসি তীব্র বিরোধীতা করেছিলেন মমতা বন্দোপাধ্যায় এবং তিনি বলেছিলেন পশ্চিমবঙ্গে তিনি কখনওি এনআরসি হতে দেবেন না। 

সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, এদিন তিনি বলেন, এনআরসি পশ্চিমবঙ্গেও প্রয়োগ করা হবে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায় যদি চান বাংলাদেশিদের ধরে রাখতে তাহলে তাঁর উচিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী কীভাবে হওয়া যায় তার চেষ্টা করা। এদিন সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া সাক্ষাতকারে সুরেন্দ্র সিং বলেন, মমতা বন্দোপাধ্যায়ের খারাপ দিন ঘনিয়ে আসছে। বাংলাদেশের মানুষদের সাহায্য নিয়ে তিনি যদি রাজনীতি করতে চান, তাহলে তাঁর উচিত বাংলাদেশে গিয়ে থাকা। মুখ্যমন্ত্রীর যদি সাহস থাকে তাহলে তার উচিত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া, সেটাই ভাল হবে।

 

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবসে নাম না করেই কি কেন্দ্রকে তোপ মমতার, টুইট করে কী বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী

সদ্য হারিয়েছেন ছেলেকে, বিধবা পুত্রবধুর ফের বিয়ে দিয়ে মানবিকতার নজির গড়লেন শাশুড়ি

দিনভর উত্তপ্ত রইল উপত্যকা, পুঞ্চের তিন সেক্টরে ভারী গোলা বর্ষণ পাক সেনার

তিনি আরও বলেন, এনআরসি পশ্চিমবঙ্গেও প্রয়োগ করা হবে। এই তালিকা থেকে যারা বাদ পড়বেন তাদের ভারতীয় নাগরিক হিসাবে বিবেচ্য হবে না এবং তাদের সসম্মানে তাদের ঘরে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। তবে অবশ্য এখানেই থেমে থাকেননি তিনি। হিন্দু মহাকাব্য রামায়ণের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি এবারের লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ফলাফলের কথা তুলে ধরে বলেন, লঙ্কার মানুষ হনুমানকে তাদের জায়গায় প্রবেশ করতে দেননি, কিন্তু তিনি সেখানে ঠিকই ঢুকতে পেরেছিলেন। একইভাবে যোগী এবং অমিত শাহরাও পশ্চিমবঙ্গে প্রবেশ করেছেন এবং বিজেপি সেখানে অনেকগুলি আসন পেয়েছেন। মমতা বন্দোপাধ্যায় হলেন বাংলার রাজনৈতিক রানি (লঙ্কিনি)। সেখানে রামের পা পড়েছে, এবার সেখআনে রাজনৈতিক পরিবর্তন আসেবেই। পশ্চিমবঙ্গে এনআরসি প্রয়োগ হওয়ার পর বাংলাদেশিদের দু প্যাকেট খাবার দিয়ে সসম্মানে তাঁদের বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া হবে।