প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমের সঙ্গে দেখা করতে শুক্রবার তিহার জেলে গিয়েছিলেন কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধি দল। কিন্তু অনেক কাঠ-খড় পুড়িয়েও তাঁর দেখা পেলেন না কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল। জেলের নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে তাঁদের দেখা করতে দেওয়া হয়নি বলে জানা গিয়েছে। 

কংগ্রেসের এই প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন মুকুল ওয়াসনিক, পি সি চাকো, মানিক্কম ঠাকুর, অবিনাশ পান্ডে ছাড়াও আরও বেশ কয়েকজন নেতা। এদিন তাঁরা জেলের সুপারিন্ট্যানড্যান্ট-এর সঙ্গেও দেখা করেন বলে খবর। জানা গিয়েছে, তাঁর কাছ থেকেই বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেতার খোঁজ খবর নেন তাঁরা। কংগ্রেস দলের এক সদস্যের কথায়, কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি সনিয়া গান্ধীর নির্দেশেই এদিন বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেতাকে সহমর্মিতা জ্ঞাপনের উদ্দেশেই তাঁর সঙ্গে দেখা করতে তিহার জেলে পৌঁছোন তাঁরা। 

ফটোসেশনে আলিশান সোফা নয়, মোদী বেছে নিলেন সাধারণ চেয়ার, প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেটিজেনরা

ফের আক্রান্ত কাশ্মীরি যুবক, সালোয়ার কামিজ পরিয়ে চলল বেধড়ক মার

দৃষ্টি হারিয়েও ছাত্রদের মনে জ্বালাচ্ছেন শিক্ষার আলো, সত্তরোর্ধ শিক্ষককে সংবর্ধনা দিয়ে সহযোগিতা পুলিশের

৭ বছর ধরে জাঙ্ক ফুডে অভ্যস্ত, সতেরো বছর বয়সেই দৃষ্টি হারাল কিশোর

আইএনএক্স মিডিয়া মামলায় প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর সিবিআই হেফাজতের মেয়াদ বাড়ার ফলে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তাঁকে আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিহার জেলে রাখা হবে। গত ২১ অগাস্ট এক নাটকীয় পরিস্থিতির মধ্য়ে দিয়ে গ্রেফতার হওয়ার পর ১৫ দিন সিবিআই হেফাজতে ছিলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। এরপর সুপ্রিম কোর্টের কাছে তাঁর আইনজীবী কপিল সিব্বলের তরফে অনুরোধ করা হয়, তাঁকে যেন গৃহবন্দি করে রাখা হয়, কিন্তু যেন তিহার জেলে না পাঠানো হয়। যদিও সেসব কিছুই কার্যত গুরুত্ব পায়নি। বৃহস্পতিবার বিকেলে আদালতের নির্দেশে তাঁর ঠাঁই হয় দিল্লির তিহার জেলে।