রবিবার ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নৈশভোজে এক ব্যক্তি গুলি চালায়। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-সহ বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হোটেলে উপস্থিত ছিলেন। মহারাষ্ট্রের প্রবীণ কংগ্রেস নেতা বিজয় ওয়াদেত্তিওয়ার দাবি করেছেন যে, ট্রাম্পের প্রতি মার্কিন জনগণের ক্ষোভই এই হামলার মূল কারণ।

রবিবার ওয়াশিংটনে হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের নৈশভোজে এক ব্যক্তি গুলি চালায়। ওই সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-সহ বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হোটেলে উপস্থিত ছিলেন। মহারাষ্ট্রের প্রবীণ কংগ্রেস নেতা বিজয় ওয়াদেত্তিওয়ার দাবি করেছেন যে, ট্রাম্পের প্রতি মার্কিন জনগণের ক্ষোভই এই হামলার মূল কারণ। তাঁর শাসনশৈলীর পরিপ্রেক্ষিতে ছিল অনিবার্য। একইসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেছেন যে, ভারতের পরিস্থিতিও আসলে একই রকম। তবে ভারতে যেহেতু কোনও বিক্ষোভ হচ্ছে না, তাই ভারত সরকার মনে করছে যে সবকিছু ঠিকঠাকই আছে।

নাগপুরে এক সাংবাদিক বৈঠকে কংগ্রেস বিধায়ক বিজয় ওয়াদেত্তিওয়ার বলেন, "যেমন কর্ম তেমন ফল... যেমন কর্ম তেমন ফল। ক্ষমতায় থাকাকালীন এবং দেশের সর্বোচ্চ পদে আসীন হয়ে ট্রাম্প পুরো বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ ও দখল করার উদ্দেশ্যে প্রতিটি দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির কাজ করেছেন। ট্রাম্প আমেরিকাকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। তিনি প্রতিটি দেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে চেয়েছিলেন। এমনভাবে আচরণ করেছেন যেন পুরো বিশ্বই দাস। তিনি আমাদের দেশকেও ধ্বংস করেছেন। ইরানের সঙ্গে তাঁর কোনও সম্পর্কই ছিল না। তবুও তিনি যে আক্রমণ চালিয়েছিলেন, তা ছিল অনিবার্য। আজ নিজের লক্ষ্য অর্জনের জন্য ট্রাম্প সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রকেই ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়েছেন।"

ভারতের পরিস্থিতিও আমেরিকার মতোই

এই কংগ্রেস বিধায়ক বলেন যে ভারতের পরিস্থিতি আমেরিকার পরিস্থিতির মতোই। তিনি বলেন, "ঠিক যেমনটা আমাদের দেশে, আমাদের এই হিন্দুস্তানে ঘটছে। ঠিক তেমনটাই সেখানেও ঘটেছে। এমনটা ঘটা ছিল অবশ্যম্ভাবী। ভারতে যেসব মানুষ প্রতিবাদ জানাতে রাস্তায় নেমেছিলেন, তাঁরা এখন আর রাস্তায় নামছেন না। তাই সরকার মনে করছে যে সবকিছু ঠিক আছে। কিন্তু জনগণের মনে সেই একই অনুভূতি এখনও বিদ্যমান যে, সমগ্র ভারতও ধ্বংসের দিকেই এগিয়ে যাচ্ছে।" ওয়াদেত্তিওয়ারের মতে, ট্রাম্পের সঙ্গে যা ঘটেছে, দেশের সর্বোচ্চ পদে আসীন কোনও ব্যক্তির সঙ্গে এমনটা ঘটা উচিত হয়নি। তবে পরিস্থিতি যা-ই হোক না কেন, জনগণ তার জবাব দেবেই—বর্তমান এই ঘটনাই তা প্রমাণ করে দিয়েছে।