ব়্যাপিড টেস্ট কিট-এ ত্রুটির কারণে বন্ধ রাখা হয়েছে সেই পরীক্ষা পদ্ধতি। আরটি-পিসিআর পদ্ধতিতে টেস্ট করতে কমপক্ষে ৪৫০০ টাকার খরচা পড়ে। এদিকে আইসিএমআর-এর বিজ্ঞানী গঙ্গাখেদকর জানিয়েছিলেন ভারতের ৮০ শতাংশ রোগীই উপসর্গহীন। তাই ব্যাপকহারে পরীক্ষা করাও প্রয়োজন। এইসব উদ্বেগ বাড়ানো তথ্যের মধ্যে বসন্তের বাতাসের মতো এল একটি দারুণ খবর। চলতি মাসের শুরুতেই দিল্লি আইআইটি-র পক্ষ থেকে একটি কম খরচের কোভিড-১৯ টেস্ট কিট তৈরি করেছিল। সেটিকে এদিন অনুমোদন দিল আইসিএমআর।

অর্থাৎ, ভারতের মতো বৃহত জনগোষ্ঠীর দেশে কোভিড-১৯ রোগী সনাক্তকরণের ব্যয় এখন উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেতে চলেছে। বস্তুত, শুধু আইআইটি দিল্লিই নয়, ভারতের বেশ কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গবেষকরাই কোভিড-১৯ টেস্ট কিট বানিয়েছেন। যার অনেকগুলিই বেশ সাশ্রয়ী। কিন্তু, দিল্লি আইআইটি-র রিয়েল-টাইম পিসিআর ভিত্তিক সনাক্তকরণ পদ্ধতিই প্রথম, যা আইসিএমআর অনুমোদন পেল।

এই বিষয়ে সংবাদসংস্থা পিটিআইকে আইসিএমআর-এর এক বিশিষ্ট কর্তা জানিয়েছেন, 'এই পরীক্ষা পদ্ধতিকে অনুমোদন দিল আইসিএমআর। এই প্রচেষ্টাটি আইসিএমআর-এর গবেষণাগারে সংবেদনশীলতা এবং নির্দিষ্টতার দিক থেকে ১০০ শতাংশ বৈধতা পেয়েছে। আইআইটি দিল্লিই প্রথম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, যারা রিয়েল-টাইম পিসিআর ভিত্তিক সনাক্তকরণ পরীক্ষার জন্য আইসিএমআর-এর অনুমোদন পেল'।

লকডাউনে জমিয়ে চলছিল লুডো খেলা, মৃত্যুর মুখোমুখি হয়ে এখন হাহুতাশ করছেন ৩১ জন

ইতিহাসের আশ্চর্য পুনরাবৃত্তি, ১০০ বছরের তফাতে দুই মহামারি কাড়ল দুই যমজ ভাই-এর প্রাণ

বিপর্যয়েও মুসলিম-বিদ্বেষ, দরজা থেকে করোনাযোদ্ধা'কে তাড়িয়ে বিপাকে জাত-জালিয়াত

তুলনামূলক সিকোয়েন্স বিশ্লেষণ ব্যবহার করে, আইআইটি দিল্লির গবেষকদের দলটি কোভিড-১৯ এবং সার্স কোভ-২ জিনোমে কিছু অনন্য অঞ্চল বা আরএনএ সিকোয়েন্সের সংক্ষিপ্ত প্রসারণ সনাক্ত করেছে। যার ভিত্তিতেই এই পরীক্ষা পদ্ধতিটি বিকশিত হয়েছে।