দেশে নেই, তাতে কী হয়েছে। সংসদে লাদাখ ইস্যুতে প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর বিবৃতি দেওয়ার পরই বিদেশ থেকেই তার উত্তর দিলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে এদিন রাহুল গান্ধী লাদাখ ইস্যুতে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। একই সঙ্গে বেশ কয়েকটি প্রশ্নও করেন তিনি। 


মঙ্গলবার লোকসভায় লাদাখ ইস্যু লোকসভায় বিবৃতি দিয়েছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। সেখানে তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ বর্তমান সীমান্তকে স্বীকৃতি দেয়না। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ সীমানরেখা লঙ্ঘনের চেষ্টা করে। আর সেই মন্তব্যকে কটাক্ষ করে রাহুল গান্ধী বলেন, চিনের নাম উচ্চারণের বিষয়ে ভয় পাবেন না। কারণ এর আগে প্রতিরক্ষা মন্ত্রী থেকে প্রধানমন্ত্রী কেউই চিনের নাম উচ্চারণ করেননি। এদিন রাহুল গান্ধীর নিশানায় ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রাহুল বলেন, প্রতিরক্ষা মন্ত্রীর মন্তব্য থেকে এটা স্পষ্ট যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চিন ইস্যুতে দেশকে বিভ্রান্ত করেছিলেন। তিনি আরও বলেন গোটা দেশ ভারতীয় সেনা বাহিনীর পাশে রয়েছে। ভবিষ্যতেও থাকবে। পাশাপাশি প্রধানন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি প্রশ্ন ছুঁড়ে গিয়ে বলেন, মোদী কখন চিনের বিপক্ষে দাঁড়াবেন। আমাদের জমি কখন ফিরেয়ে নেবেন চিনের কাছ থেকে। 

লাদাখে ভারতীয় সেনাদের বিভ্রান্ত করতে নয়া কৌশল, বেজিং ভাইরাল করছে উপগ্রহ চিত্র ...

সংসদে চিনের নাম নিয়ে লাল ফৌজের তীব্র সমালোচনা, ভারত যোগ্য জবাব দেবে বললেন রাজনাথ ...

লাদাখের পর এবার অরুণাচলে সেনা বাড়াচ্ছে চিন, শিলিগুড়ি করিডোর দখলের ছক লাল ফৌজের ...

মে মাসের প্রথম থেকেই রাহুল গান্ধী লাদাখ ইস্যুতে সরব হয়েছিলেন। গত ১৫ জুন গালওয়ান সংঘর্ষের পর একটি সর্বদলীয় বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চিনের নাম না করেই বলেছিলেন কেউ ভারতের সীমানায় প্রবেশ করেনি। কেউ ভারতের জমি অধিগ্রহণ করেনি। লাদাখে কর্মরত সেনাদের মনোবল বাড়াতেও গিয়েছিলেন তিনি। সেখানেও চিনের নাম না করে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। কিন্তু এদিন রাজনাথ সিং-এর মন্তব্যে কিছুটা হলেও স্পষ্ট হয় যে ভারতীয় সীমান্তে বেশ কয়েকটি জায়গায় চিনা সেনা অগ্রাসন চালিয়েছেন। আর সেটাকেই ইস্যু করেই রাহুল গান্ধী রাজনীতির ময়দানে নেমেছে। তবে এটাই প্রথম নয় এর আগেও কংগ্রেস নেতা একাধিকবার চিনের প্রসঙ্গ তুলে তীব্র সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর।