বিশ্বের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এদেশেও বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যে তা ৫৬ হাজারের গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। কোন পথে চিকিৎসা করলে এই মারণ ভাইরাসের থেকে নিষ্কৃতি মিলবে তা এখনও অজানা। এই অবস্থায় প্রতিটি দেশই প্রতিষেধক আবিষ্কারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যেই একটা বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল দেশের ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল। এক সপ্তাহের মধ্যেই এর পরীক্ষামূলক ট্রায়াল শুরু হবে বলে জানিলেন কাউন্সিল অব সায়েন্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল রিসার্চের  (সিএসআইআর) ডিরেক্টর জেনারেল শেখর সি মান্ডে।

 

কোভিড-১৯ সংক্রমণ সারাতে চিন, জাপান, রাশিয়া ও ইতালিতে জাপানি অ্যান্টি-রেট্রোভাইরাল ড্রাগ ফ্যাভিপিরাভিরের ট্রায়াল আগেই শুরু হয়েছে। এবার ভারতেও করোনার চিকিৎসায় এই ওষুধের পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করার ছাড়পত্র মিলল। চিন ও জাপানে ইতিমধ্যেই এই ওষুধের সুফল মিলতে শুরু করেছে বলে জানা যাচ্ছে। 

জুলাইয়েই প্রথমার্ধেই হবে সিবিএসই-র দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষা, ফলে বেরোবে অগস্টের শেষে

গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণের শিকার ৩,৩৯০ জন, আক্রান্তের সংখ্যা পেরোল ৫৬ হাজারের গণ্ডি

আমেরিকায় ৭৫ হাজার ছাড়াল মৃতের সংখ্যা, এবার করোনা সংক্রমণের শিকার খোদ ট্রাম্পের সহযোগী

জাপানি ড্রাগ ‘ফ্যাভিপিরাভির’বা টি–৭০৫ বানিয়েছে জাপানের ফুজিফিল্ম টোয়ামা কেমিক্যাল। এই ড্রাগের ব্র্যান্ড নাম  ‘অ্যাভিগান’। ২০১৪ সালে ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের প্রকোপ যখন মারাত্মক পর্যায়ে পৌঁছেছিল,  তখন এই ওষুধ বানিয়েছিল জাপানের অন্যতম বড় ফার্মাসিউটিক্যালস ফুজিফিল্ম। ইনফ্লুয়েঞ্জা সারাতে এই ড্রাগ সেই সময় বিজ্ঞানীদের বড় অস্ত্র হয়ে উঠেছিল। যেহেতু ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের সঙ্গে সার্স-কভ-২ ভাইরাসের জিনের কিছুটা মিল আছে, তাই এই মারণ ভাইরাসজনিত রোগ কোভিড-১৯ সারাতেও ফ্যাভিপিরাভির একইভাবে কাজ করবে বলেই দাবি গবেষকদের।

করোনা নিয়ন্ত্রণে ইউরোপ ও আমেরিকার তুলনায় অনেকটাই সফল জাপান। চিনে সংক্রমণ ছড়ানোর পরপরেই এদেশে করোনা রোগীর দেখা মিলেছিল। কিন্তু তারপর থেকে জাপান সংকার পরিস্থিতি খুব ভাল সামলেথে। দেশটিতে এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৫,৪৭৭। মারা গিয়েছেন ৫৭৭ জন। ফ্যাভিপিরাভির প্রয়োগে জাপানে করোনা আক্রান্তদের উপর সুফল মিলেছে বলেই দাবি করা হচ্ছে। মে মাসেই কোভিড ১৯-এর চিকিৎসায় ফ্যাভিপিরাভির প্রয়োগের অনুমতি দিয়েছেন জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবে। এই অবস্থায় বিশ্বের ৪৩টি দেশে  করোনা চিকিৎসায় ‘ফ্যাভিপিরাভির’ পাঠাচ্ছে জাপান সরকার। এদিকে ভারত ছাড়াও বুলগেরিয়া, চেক রিপাবলিক, ইন্দোনেশিয়া, মায়ানমার, ইরান, সৌদি আরব ও তুরস্কে ফ্যাভিপিরাভি ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে।