Monday Holiday: ফুটবল বিশ্বকাপের জন্য সোমবার বন্ধ থাকবে সরকারি অফিস? নোটিস দিল রাজ্য
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর ফাইনাল উপলক্ষে রাজ্য সরকার সোমবার ছুটি ঘোষণা করেছে। এই ছুটি কি শুধু স্কুল-কলেজের জন্য, নাকি ব্যাঙ্ক ও সরকারি অফিসও বন্ধ থাকবে? বড় ঘোষণা রাজ্যের। কী জানা যাচ্ছে?

ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনা এবার পৌঁছে গিয়েছে সরকারি প্রশাসনেও। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল উপলক্ষে সোমবার ছুটি ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। তবে এই ঘোষণার পর থেকেই সাধারণ মানুষের মনে একটি বড় প্রশ্ন উঠেছে—সোমবার কি ব্যাঙ্কও বন্ধ থাকবে?

ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের কারণে সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬ সমস্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। আর্জেন্টিনা ও স্পেনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলা এই ফাইনাল ম্যাচটি মধ্যরাতে শুরু হওয়ার কথা থাকায়, ফুটবলপ্রেমী শিক্ষার্থীদের কথা বিবেচনা করেই শিক্ষা দপ্তর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিশ্বকাপের ফাইনাল ঘিরে রাজ্যজুড়ে ব্যাপক উন্মাদনা তৈরি হয়েছে। ভারতীয় সময় অনুযায়ী গভীর রাতে ফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ায় বহু ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক এবং বিভিন্ন সংগঠন সরকারের কাছে পরদিন ছুটি ঘোষণার দাবি জানায়।
সেই আবেদনের ভিত্তিতেই রাজ্যের সাধারণ শিক্ষা দফতর সোমবার স্কুলগুলিতে ছুটি ঘোষণা করেছে। পেশাদার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকেও একই ধরনের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। তবে পূর্বনির্ধারিত পরীক্ষার সূচিতে কোনও পরিবর্তন করা হয়নি।
এরপরই শুরু হয়েছে আরেক জল্পনা—ব্যাঙ্ক এবং সরকারি অফিসের কী হবে? সরকারি সূত্রে স্পষ্ট করা হয়েছে, এই বিশেষ ছুটির ঘোষণা মূলত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য। ব্যাঙ্কের ক্ষেত্রে আলাদা করে কোনও ছুটির নির্দেশ জারি করা হয়নি।
অর্থাৎ, ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্ক (RBI) বা নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের অধীনে নতুন করে ব্যাঙ্ক ছুটি ঘোষণা না হলে কেরলের ব্যাঙ্ক শাখাগুলি স্বাভাবিক নিয়মেই খোলা থাকার কথা। সরকারি অফিসগুলির ক্ষেত্রেও সাধারণ ছুটির নির্দেশ জারি করা হয়নি।
বিশ্বকাপের ফাইনাল ঘিরে কেরলের ফুটবলপ্রেম নতুন কিছু নয়। আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, স্পেন, পর্তুগাল-সহ বিভিন্ন দেশের সমর্থকদের বিশাল উপস্থিতি রয়েছে রাজ্যজুড়ে। ফাইনাল ম্যাচ দেখার জন্য একাধিক জেলায় বড় পর্দায় সম্প্রচারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিভিন্ন ক্লাব, বাসিন্দাদের সংগঠন এবং ফুটবলপ্রেমী গোষ্ঠী বিশেষ আয়োজন করেছে।
রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত সোশ্যাল মিডিয়াতেও ব্যাপক আলোচনা তৈরি করেছে। অনেকেই এটিকে ফুটবলের প্রতি কেরলের আবেগের স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন। অন্যদিকে, কেউ কেউ প্রশ্ন তুলেছেন, শুধুমাত্র একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতার জন্য ছুটি ঘোষণা কতটা যুক্তিযুক্ত।

