আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন দেশে ক্রমশই ভয়াবহ আকার নিচ্ছে  করোনাভাইরাসের সংক্রমণ।  জুলাইয়েই সোশ্যল মিডিয়ায় বার্তা দিয়ে রাহুল গান্ধী জানিয়ে ছিলেন ১০ অগাস্টের আগেই আক্রান্তে সংখ্যা ২০ লক্ষ পার করবে। কিন্তু  তার আগেই বৃহস্পবার রাত অর্থাৎ ৬ অগাস্টই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০ লক্ষের গণ্ডী পার করেছিল। তারপর আর হাত গুটিয়ে বসে থাকেননি রাহুল গান্ধী। সরাসরি নিশানা করেন কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারকে। 

শুক্রবার সকালেই সোশ্যায় মিডিয়ায় হিন্দিতে একটি ট্যুইট করেন রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ২০ লক্ষ পার করে গেছে। গায়েব হয়ে গেছে মোদী সরকার? তিনি অবশ্য আর কিছুই বলেননি তাঁর এদিনের আক্রমণ বার্তায়। 

মাদকাশক্তদের চিকিৎসায় ব্যবহৃত ওষুধে সেরে যায় করোনা , দাবি রাশিয়ার বিজ্ঞানীদের.

করোনা প্রতিষেধক বাজারে আনতে মরিয়া সেরাম, দাম কমাতে ভারতীয় সংস্থার পাশে বিল গেটস...

তবে এটাই প্রথম নয়, দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের আগে থেকেই রাহুল গান্ধী বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। তখনই তিনি বলেছিলেন বড়সড় আর্থিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়তে চলেছে দেশ। লকডাউনের প্রথম পর্ব থেকেই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিশানা করে রাহুল গান্ধী লকডাউনের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তারপর থেকেই ক্রমাগত করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ও দেশের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়েও একের পর এক প্রশ্নবাণে জর্জরিত করতে চেয়েছেন মোদী সরকারকে। পাশাপাশি পূর্ব লাদাখ সীমান্তে চিনা সেনার অগ্রাসনের অভিযোগ তুলেও সরব হয়েছেন তিনি। যদিও আগে একাধিক বিজেপি নেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় বার্তা দিয়েছেন। যদিও এখনও পর্যন্ত বিজেপি কোনও নেতাই বিষয়টি মুখ খোলেননি। 

বেতন বৃদ্ধির দাবিতে ধর্মঘটে সামিল 'আশা' কর্মীরা, করোনা লড়াইয়ে আশঙ্কার কালো মেঘ...