Gujarat News: প্রেমে আপত্তি থেকে পরিবারের সম্মান রক্ষার কথা বলে খুনের ঘটনা নতুন নয়। এবার গুজরাটে একই ঘটনা দেখা গেল। গভীর রাতে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে প্রাণ গেল এক যুবকের। প্রেমিকার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে এই যুবককে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
KNOW
Gujarat Man Beaten to Death: বাড়িতে কিছু না জানিয়ে গভীর রাতে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে আর বাড়ি ফেরা হল না। গণপিটুনিতে প্রাণ হারালেন ৩১ বছর বয়সি এক যুবক। এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে গুজরাটের মেহসানা জেলার (Mehsana District) খেরালু তালুকের থাংনা গ্রামে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম রঞ্জিৎজি ঠাকোর (Ranjitji Thakor)। তিনি পাটান জেলার (Patan District) সিদ্ধপুর তালুকের ভাগারোল গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন। তিনি সিদ্ধপুরে চোলামণ্ডলম (Cholamandalam) ফিন্যান্স সংস্থায় ক্রেডিট ম্যানেজার হিসেবে কাজ করতেন। গত দু’বছর ধরে থাংনা গ্রামের এক তরুণীর সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন রঞ্জিৎজি। তাঁর পরিবারও এই সম্পর্কের কথা জানত। এর আগে এই যুবক বিয়ে করেছিলেন। ২০২৪ সালে তাঁর বিবাহবিচ্ছেদ হয়। তারপর এই তরুণীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেই সম্পর্কই তাঁর প্রাণ কেড়ে নিল।
গাছে বেঁধে পিটিয়ে খুন
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার সকাল ন'টা নাগাদ মোটরবাইকে চেপে কর্মস্থলের উদ্দেশে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন রঞ্জিৎজি। রাত ১১টা বেজে ৪৫ মিনিট নাগাদ তাঁর মা ফোন করলে তিনি জানিয়েছিলেন, বাড়ি ফিরতে দেরি হবে। শেষ রাতে তাঁদের কাছে দুঃসংবাদ পৌঁছয়। রাত প্রায় সাড়ে তিনটে নাগাদ এক আত্মীয় ফোন করে জানান, প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে থাংনা গ্রামে গিয়েছিলেন রঞ্জিৎজি। সেখানে প্রেমিকার পরিবারের সদস্যরা তাঁকে ধরে ফেলে একটি তেঁতুল গাছের সঙ্গে হাত-পা বেঁধে লাঠি দিয়ে পিটিয়ে খুন করেন। মৃতের পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রেমিকার মা, ভাই, কাকা এবং পরিবারের আরও এক সদস্য মিলে গাছের সঙ্গে রঞ্জিৎজির হাত-পা দড়ি দিয়ে বেঁধে দেন। এরপর লাঠি দিয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। একসময় তিনি আর কোনও সাড়া দিচ্ছিলেন না। এরপর তাঁকে একটি খাটিয়ায় শুইয়ে দেওয়া হয়। সেখানেই আঘাতের কারণে তাঁর মৃত্যু হয়। এই ঘটনার খবর পেয়ে পরদিন সকাল ন'টা নাগাদ রঞ্জিৎজির বাবা ও পরিবারের অন্য সদস্যরা সেই গ্রামে পৌঁছন। সেখানে গিয়ে তাঁরা গাছের নীচে একটি লোহার খাটিয়ায় ছেলের দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। দেহটি একটি বস্তা দিয়ে ঢাকা ছিল। রঞ্জিৎজির বাবার অভিযোগ, তাঁর ছেলের পিঠ, ঘাড়, কোমর ও পায়ে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল। এছাড়াও তাঁর প্রায় দেড় তোলা ওজনের একটি সোনার চেন খুঁজে পাওয়া যায়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।
৪ জনকে আটক করেছে পুলিশ
এই ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। খুনের অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়েছে।
আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।






