মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে নাকরোনা আবহে নির্বাচনের ফলাফল পিছিয়ে দেওয়া প্রসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ২ মের বদলে ২-৩ সপ্তাহ পিছিয়ে যেতে পারে ফল প্রকাশপাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের সঙ্গেই হয়েছিল উত্তরপ্রদেশের পঞ্চায়েত নির্বাচনও 

'হেভেনস ওন্ট ফল', অর্থাৎ 'মাথায় আকাশ ভেঙে পড়বে না'। করোনা আবহে নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ ২-৩ সপ্তাহের জন্য পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনের প্রেক্ষিতে হওয়া মামলার শুনানিতে, শনিবার, এই কথাই বলল ভারতের সর্বোচ্চ আদালত। আগামী ২ মে, পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল প্রকাশের পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফলও প্রকাশিত হওয়ার কথা। বর্তমানে করোনা সংক্রমণ ভারতের এই রাজ্যে যেভাবে বেড়েছে, তাতে সেই ফলাফল প্রকাশ অন্তত কয়েক সপ্তাহ পিছিয়ে দেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

বস্তুত করোনাকালে রাজ্য়ে পঞ্চায়েত ভোট পরিচালনা করারই বিরোধিতা করে ইলাহাবাদ হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন শচীন যাদব নামে এক ব্যক্তি। তিনি বলেছিলেন, নির্বাচন হলে কোভিড -১৯ সংক্রমণের আচমকা বৃদ্ধি ঘটবে এবং এর ফলে স্বাস্থ্যসেবা ক্ষেত্রে চাপ বাড়বে। কিন্তু, সেই আবেদন ফিরিয়ে দিয়ে নির্বাচন চালানোর আদেশ দিয়েছিল ইলাহাবাদ হাইকোর্ট। সেই রায়কে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করেছিলেন শচীন যাদব। শুক্রবারই এই মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ, উত্তর প্রদেশ সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে ভোট গণনার ক্ষেত্রে কী কী কোভিড-১৯ প্রোটোকলের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেই বিষয়ে জবাব চেয়েছিল।

আরও পড়ুন - 'লকডাউন, ভারত শিখুক চিনকে দেখে', করোনা মোকাবিলায় ৩ দফা পদক্ষেপের নিদান ডা. ফাউচির

আরও পড়ুন - মস্কো থেকে আজই আসছে দেড় কোটি ডোজ স্পুটনিক ভি, করোনা-যুদ্ধে ভারতের তৃতীয় অস্ত্র

আরও পড়ুন - কোভিড-১৯ - মাত্র ৬টি রাজ্যে আজ থেকেই ১৮ ঊর্ধ্বদের টিকাদান, বাংলায় কবে শুরু

চার দফায় উত্তরপ্রদেশে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মতোই ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছে ২৯ এপ্রিল। প্রত্যেক দফাতেই ৭০ শতাংশের বেশি মানুষ মতদান করেছেন। তবে ভোটের লেজ ধরেই বর্তমানে উত্তরপ্রদেশে নতুন কোভিড-১৯ সংক্রমণের সংখ্যাও দারুণভাবে বেড়েছে। শনিবার, ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রক যে হিসাব দিয়েছে, তা অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় এই রাজ্যে নতুন করোনা রোগীর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে ৩৪৩৭২ জন। আর মৃত্যু হয়েছে ৩৩২ জনের। সব মিলিয়ে এই রাজ্যে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা বর্তমানে ৩,১০,৭৮৩ জন। ভারতের সবচেয়ে করোনাধ্বস্ত রাজ্যগুলির তালিকায় যোগী আদিত্যনাথের শাসনাধীন রাজ্যটি রয়েছে ৩ নম্বরে।