উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলার জোশীমঠের কাছে ছ'জন যাত্রী-সহ একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে বলে খবর। হেলিকপ্টারটি বদ্রীনাথ থেকে ফিরছিল। মাঝপথে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দুর্ঘটনাস্থলের খোঁজে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। তবে যাত্রীদের শারীরিক অবস্থা এবং দুর্ঘটনার কারণ সম্পর্কে এখনও নিশ্চিত তথ্য মেলেনি।
উত্তরাখণ্ডে ফের দুর্ঘটনার কবলে হেলিকপ্টার। চামোলি জেলার জোশীমঠের কাছে একটি হেলিকপ্টার ভেঙে পড়ার খবর ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ওই হেলিকপ্টারে পাইলট-সহ মোট ছ'জন ছিলেন বলে প্রাথমিক সূত্রে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুর ২টো ১৫ মিনিট নাগাদ বদ্রীনাথ থেকে ওড়ে হেলিকপ্টারটি। সেই সময় এলাকায় তুষারপাত হচ্ছিল। এর পরেই হাতি পর্বত এলাকার কাছে হেলিকপ্টারটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দুর্ঘটনার খবর সামনে আসতেই শুরু হয়েছে উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযান।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হেলিকপ্টারটি বদ্রীনাথ থেকে দেরাদুনের দিকে যাচ্ছিল। মাঝ আকাশে সেটির সঙ্গে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এর পরেই হেলিকপ্টারটির সম্ভাব্য দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়। হেলিকপ্টারটি ট্রান্স ভারত অ্যাভিয়েশনের বলে জানা গিয়েছে।

হেলিকপ্টারটিতে পাঁচ জন যাত্রী এবং এক জন পাইলট ছিলেন বলে জানা যাচ্ছে। তাঁরা বদ্রীনাথ ধাম থেকে ফিরছিলেন। জোশীমঠের কাছে ছাইঁ (Chayi) গ্রামের আশপাশে, হাতি পাহাড়ের পিছনের এলাকায় হেলিকপ্টারটি ভেঙে পড়েছে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। তবে দুর্ঘটনাস্থল এবং বিমানের ধ্বংসাবশেষের অবস্থান নিয়ে এখনও বিস্তারিত তথ্য সামনে আসেনি।
ঘটনার পরই তৎপর হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। নিখোঁজ হেলিকপ্টারটির সন্ধানে অন্য হেলিকপ্টারও মোতায়েন করা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল তল্লাশি চালাচ্ছে। দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় হেলিকপ্টারটির অবস্থান চিহ্নিত করাই এখন উদ্ধারকারীদের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ।
এদিকে, ওই অঞ্চলে বৃষ্টি এবং ঘন মেঘের কারণে দৃশ্যমানতা কমে গিয়েছে। ফলে তল্লাশি অভিযানে সমস্যা হচ্ছে বলে খবর। যাত্রীদের শারীরিক অবস্থা, তাঁদের উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে কি না, সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনার সঠিক কারণও স্পষ্ট নয়। প্রশাসনের তরফে বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছে সকলে। উত্তরাখণ্ডের পাহাড়ি এলাকায় প্রতিকূল আবহাওয়ায় হেলিকপ্টার চলাচল যে কতটা ঝুঁকিপূর্ণ, এই ঘটনা ফের সেই প্রশ্ন তুলে দিল।





