- Home
- India News
- LNG Powered Train: ভারতের প্রথম LNG ট্রেন চালু হল, রইল এই ট্রেন চালানোর মূল উদ্দেশ্য আর বিশেষত্ব
LNG Powered Train: ভারতের প্রথম LNG ট্রেন চালু হল, রইল এই ট্রেন চালানোর মূল উদ্দেশ্য আর বিশেষত্ব
ভারতের প্রথম LNG চালিত ট্রেনের উদ্বোধন করলেন অমিত শাহ। সবরমতী থেকে মহেসানা রুটে চলবে এই ডুয়াল-ফুয়েল ট্রেন, রইল এর সব বিশেষত্ব বিস্তারিত।

LNG চালিত ট্রেন
ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করল ভারতীয় রেল। আজ, ২৭ সেপ্টেম্বর দেশের প্রথম এলএনজি (LNG) চালিত ট্রেনের সূচনা হল। গুজরাটের সবরমতী রেলওয়ে স্টেশন থেকে এই ট্রেনের আনুষ্ঠানিক সূচনা করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র ও সমবায়মন্ত্রী অমিত শাহ, সঙ্গে ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলও।

পুরোপুরি LNG চালিত নয়
এই ট্রেন পুরোপুরি এলএনজি-চালিত নয়। ডিজেল ও এলএনজি— দুই জ্বালানিতেই চলতে সক্ষম এমন একটি বিশেষ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে এতে। সবরমতীর ইন্টিগ্রেটেড কোচিং ডিপোয় দুটি ১,৪০০ হর্সপাওয়ারের পাওয়ার কারকে বিশেষভাবে রূপান্তরিত করে এই ডুয়াল-ফুয়েল ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছে, যার ফলে সাধারণ ডিজেল খরচের প্রায় ৪০ শতাংশ এখন এলএনজি দিয়ে মেটানো সম্ভব হবে। এতে রেলের জ্বালানি খরচ অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।
ট্রেন কত দূর যেতে পারে?
জ্বালানি বদলালেও ট্রেনের গতি বা কার্যক্ষমতায় কোনও প্রভাব পড়বে না বলে দাবি রেল কর্তৃপক্ষের। প্রতিটি রূপান্তরিত পাওয়ার কারে বসানো হয়েছে ২,২০০ লিটার ধারণক্ষমতার এলএনজি ট্যাঙ্ক, যাতে প্রায় ৮৫০ থেকে ৯০০ কেজি জ্বালানি রাখা যাবে। একবার পূর্ণ ট্যাঙ্ক ভরলে ট্রেনটি পাড়ি দিতে পারবে প্রায় ১,৬০০ কিলোমিটার পথ। সবরমতী থেকে মহেসানা রুটে এই ট্রেনের উদ্বোধনী যাত্রা শুরু হয়েছে।
এই ট্রেনের মূল লক্ষ্য কী?
এই উদ্যোগের নেপথ্যে মূল লক্ষ্য পরিবেশ দূষণ কমানো। ডুয়াল-ফুয়েল প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে কার্বন ডাই অক্সাইড, নাইট্রোজেন অক্সাইড এবং ধূলিকণার নির্গমন উল্লেখযোগ্য হারে কমবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০৩০ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ শূন্য ডিজেল ব্যবহারে পৌঁছনোর যে লক্ষ্য নিয়েছে ভারতীয় রেল, এই পদক্ষেপ তারই একটি বড় অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।
উদ্বোধন করেন অমিত শাহ
শুধু ট্রেন উদ্বোধনই নয়, এই অনুষ্ঠানে সবরমতীতে প্রায় ১,৫৪২ কোটি টাকা মূল্যের একাধিক রেল প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তরও স্থাপন করেন অমিত শাহ। এর মধ্যে রয়েছে রেললাইন দ্বিগুণ করার কাজ, স্বয়ংক্রিয় সিগন্যালিং ব্যবস্থা, WAG-12 বৈদ্যুতিক ইঞ্জিন রক্ষণাবেক্ষণের শেড এবং ৪০৪ কিলোমিটার রেলপথ জুড়ে দেশীয় প্রযুক্তির 'কবচ' সুরক্ষা ব্যবস্থা বসানোর কাজ।

