বিরল খনিজ নিয়ে আলোচনায় ভারতকে পাশে চাইছে ট্রাম্প সরকার, আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন জয়শঙ্কর
S Jaishankar America: ফেব্রুয়ারি মাসের শুরুতেই আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন বিদেশমন্ত্রী এস.জয়শঙ্কর। মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে তার। বিশদে জানতে দেখুন সম্পূর্ণ ফটো গ্যালারি…

আমেরিকা সফরে বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর
ভারত-আমেরিকা শুল্ক যুদ্ধ, কূটনৈতিক, বাণিজ্যিক টানাপোড়েনের মধ্যেই আগামী সপ্তাহে আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস.জয়শঙ্কর। সূত্রের খবর, এই সফরে তিনি মার্কিন বিদেশ সচিব মার্কো রুবিয়োর সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন। আলোচনা হতে পারে বিরল খনিজ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে। আর সেই বৈঠকেই রুবিয়ো-জয়শঙ্কর সহ মার্কিন উচ্চ পদস্থ আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন।
কবে আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন জয়শঙ্কর?
সূত্রের খবর, আগামী মাসের ৪ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা সফরে যাচ্ছেন বিদেশমন্ত্রী এস.জয়শঙ্কর। জানা গিয়েছে, বিরল খনিজ নিয়ে চিনের সঙ্গে বিবাদে ইতিমধ্যে ভারতকে পাশে চাইছে আমেরিকা সহ পশ্চিমী দুনিয়ার দেশগুলি। জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে আলোচনার জন্য ওয়াশিংটনে জি৭ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলিকে বৈঠকে ডাকা হয়েছে।
জয়শঙ্করকে আমন্ত্রণ ডোনাল্ড ট্রাম্পের
জানা গিয়েছে, চিনের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে বিরল খনিজগুলির শৃঙ্খলা রক্ষা এবং বিকল্প উৎসের সন্ধানে ওয়াশিংটনের ‘পাখির চোখ’ বিরল মৃত্তিকা (রেয়ার আর্থ) ও লিথিয়ামের মতো খনিজগুলি। কারণ, সামরিক সরঞ্জাম, সেমিকন্ডাক্টর এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য শক্তি-প্রযুক্তির জন্য এগুলি অপরিহার্য। ফলে সেই সব বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য ট্রাম্প সরকারের তরফে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে আমন্ত্রণ জানানো হয় ওই বৈঠকে।
চিনকে ঠেকাতে এই বৈঠক?
সূত্রের খবর, গত ৯ অক্টোবর থেকে চিন সরকার বিরল খনিজ রফতানিতে কিছু বিধিনিষেধ জারি করেছে। যারফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। শি জিনপিং সরকারের অভিযোগ, তাদের পণ্য বিভিন্ন দেশ সামরিক খাতে কাজে লাগাচ্ছে। বিশ্বশান্তির কথা ভেবে তাই তারা বিরল খনিজের রফতানিতে কিছু বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আর যা নিয়ে এবার পাল্টা চিনকে চাপে ফেলতে তড়িঘড়ি বৈঠক ডেকেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প সরকার।
নয়াদিল্লিতেও বৈঠক
জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ৯ জানুয়ারি নয়া দিল্লিতে মার্কিন কংগ্রেসের ৩ সদস্যের সঙ্গে বৈঠকে বসেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। আমেরিকান কংগ্রেসের প্রতিনিধিদলটিতে ছিলেন রিপাবলিকান সদস্য জিমি পেট্রোনিস, মাইক রজার্স এবং ডেমোক্র্যাট সদস্য অ্যাডাম স্মিথ। বৈঠকে এঁদের পাশাপাশি ছিলেন ভারতে আমেরিকার নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত সার্জিয়ো গোরও। ওই বৈঠক শেষে জয়শঙ্কর জানিয়ে ছিলেন যে, ভারত-আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নয়নে এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

