ফের বিয়ে করলেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। সাংবাদিক নিধি রাজদানকে তিনি বিয়ে করেছেন। শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টের মাধ্যে বিয়ের ছবি পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ইনস্টাগ্রামে নিধি রাজদানের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে ওমর আবদুল্লা লিখেছেন, “গতকাল একটি নতুন যাত্রার সূচনা হল।”
ফের বিয়ে করলেন জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা। সাংবাদিক নিধি রাজদানকে তিনি বিয়ে করেছেন। শনিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্টের মাধ্যে বিয়ের ছবি পোস্ট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ইনস্টাগ্রামে নিধি রাজদানের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে ওমর আবদুল্লা লিখেছেন, “গতকাল একটি নতুন যাত্রার সূচনা হল।” পোস্টে তিনি নিধি রাজদানকে ট্যাগও করেছেন। এই ঘোষণার মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরের মুখ্যমন্ত্রীর জীবনে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। বিয়ের একদিন পর তিনি তাঁর অনুসারীদের সঙ্গে এই সুখবরটি ভাগ করে নেন।
তিন মাস আগে ওমর আবদুল্লাকে তাঁর স্ত্রী পায়েল আবদুল্লার সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের অনুমতি দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। গত ৩১ জুলাই সুপ্রিম কোর্ট জানায় যে, উভয় পক্ষ পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে সম্পর্ক ছিন্ন করতে এবং সমস্ত অমীমাংসিত বিরোধ নিষ্পত্তিতে সম্মত হওয়ায় তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ কার্যকর করা হবে। এছাড়া তাঁরা একে অপরের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাগুলো তুলে নিতেও সম্মত হন। দিল্লি হাইকোর্ট বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করলে ওমর আবদুল্লা সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। শুনানিকালে দম্পতি যৌথভাবে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অধীনে পারস্পরিক সম্মতির ভিত্তিতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন জানান। দম্পতির পক্ষে আইনজীবী কপিল সিবাল আদালতকে জানান যে, তাঁরা নিজেদের মধ্যকার মতপার্থক্য মিটিয়ে ফেলতে সম্মত হয়েছেন।

১৯৯৪ সালে দিল্লির দ্য ওবেরয় হোটেলে কাজ করার সময় ওমর আবদুল্লা ও পায়েলের পরিচয় হয় এবং পরবর্তীতে তাঁরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাঁদের দুই ছেলে রয়েছে—জহির ও জামির। ২০০৯ সাল থেকে তাঁরা আলাদা বসবাস করছিলেন এবং ২০১১ সালে ওমর তাঁদের বিচ্ছেদের কথা ঘোষণা করেন। সুপ্রিম কোর্টও এর আগে পর্যবেক্ষণ করেছিল যে, তাঁরা বেশ কয়েক বছর ধরেই আলাদা থাকছেন।




