কথা ছিল ট্রাক্টর ব়্যালির, সেই মর্মে দিল্লি পুলিশ কৃষকদের দিয়েছিল অনুমতী। তারপর প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির ছবিটা ঠিক কতটা ভয়াবহ দাঁড়ায়, তার সাক্ষী থেকেছে গোটা দেশ। কোনও আকষ্মিক আন্দোলন নয়, বা হঠাৎ করে কোনও বড় আকার ধারণ করাও নয়। যা ঘটে তা সবটাই পূর্ব পরিকল্পিত, এমনটাই একাধিক ভিডিওতে উঠে এসেছে বেশ কয়েকবার। তবে থেকেই একাধিক নেতৃত্বের সন্ধানে হন্যে হয়ে ঘুরছে পুলিশ। এবার পুলিশের হাতে এল মূল অভিযুক্ত। বেশ কিছু ভিডিও ও ছবিতে বারে বারে ফুঁটে ওঠে মনিন্দর সিং-এর নেতৃত্বদানের ছবি। 

আরও পড়ুন- মধ্যপ্রদেশের ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় প্রাণ হারাল ৪৫, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা, শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর

তবে থেকেই পুলিশের লক্ষ্যে ছিলেন এই ধৃত। এবার তিনসপ্তাহের মাথায় তাকে আটক করল দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার প্রীতম পুরের সামনে থেকে গ্রেফতার করা হয় এই ধৃতকে। এমন কি তল্লাশিও চালানো হয় তাঁর বাড়িতে। সেখান থেকেই উদ্ধার হয় দুই সোড। মনিন্দরের স্বরূপ নগরের বাড়িতে রাখা ছিল এই অস্ত্র। বাকি তদন্ত এখনও পর্যন্ত চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ। দিল্লি পুলিশের এ এক বড় সাফল্য। এবার জেরার মধ্যে দিয়ে সামনে আসবে একাধিক তথ্য, তেমনটাই আশার আলো দেখছে রাজধানীর পুলিশ। 

৭২ তম প্রজাতন্ত্র দিবসে দিল্লির রাজপথের ছবিটা মুহূর্তে গিয়েছিল পাল্টে। লাল কেল্লা ঘেরাও করার পর সৃষ্টি হয় ধূমধূমার পরিস্থিতি। ঝড়ের বেগে ছড়িয়ে পড়ে খবর। স্তব্ধ হয়ে যায় রাজধানী। চলে লাঠিচার্জ, টিয়ার গ্যাস থেকে শুরু করে বেশ কয়েকরাউন্ড গুলি। পরিস্থিতি হাতের বাইরে যাওয়ার পেছনে মূল মাথা কার, পরিকল্পনা নিয়ে যাবতীয় তথ্য অনুসন্ধানই এখন দিল্লি পুলিশের মূল লক্ষ্য।