এই বছরটির শুরু থেকেই একের পর একটি সমস্যার মুখোমখি হতে হচ্ছে। জানুয়ারি থেকেই দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছিল। মার্চ থেকে সংক্রমণ রুখতে গোটা ভারতই চলে গিয়েছিলে লকডাউনে। বর্তমানে লকডাউন কাটিয়ে উঠে আনলক পর্বে যাত্রা শুরু করেছে দেশ। কিন্তু এই পর্বে এসেও আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশই বাড়ছে। তারপরে একে এসে এসেছে একাধিক প্রাকৃতিক বিপর্যয় যেমন আমফান, নিসর্গ, ভূমিকম্প ও পঙ্গপালের হানা। পূর্ব লাদাখ সীমান্তে ক্রমশই হুমকি দিয়ে যাচ্ছে চিন। এই সব সমস্যায় হতাশ অনেক ভারতবাসীই মনে করছেন ২০২০ সাল খুবই খারাপ। যা তাঁদের কথোপকথনে বারবার স্পষ্ট হচ্ছে সেই কথা। ঘুরে ফিরে আসছে সেই প্রশ্ন- কবে শেষ হবে ২০২০।  সেই সব প্রসঙ্গ টেনে এনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, একই সময় একটি দেশের ওপর দিয়ে এতটা ঝড় বয়েগেছে, এটা খুব সময়ই লক্ষ্য করা গেছে। এই মন্তব্য করে তিনি দেশবাসী হতাশা কাটাতেও উদ্যোগ নেন। 

'ভারতকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়তে'ই কি চিনের ১৬টি সেনা ছাউনি, গালওয়ানে ভারী হচ্ছে 'ড্রাগনের পায়ের ছাপ' ...

'বিশ্ব প্রত্যক্ষ করছে ভারতের পদক্ষেপ', মন কি বাত অনুষ্ঠানে লাদাখ নিয়ে মন্তব্য মোদীর ...

দেশবাসীর এই হতাশা কাটাতেই  প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর রেডিওর অনুষ্ঠানে দাওয়াই দিলেন রবিবার। তিনি বলেন, অনেকেই মনে করেন এই বছরটি খুবই কঠিন। কিন্তু তিনি বলেন, ইতিহাস বলছে আমরা সর্বদাই কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছি। এবং সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছিল। চ্যালেঞ্জ ভারতবাসীকে আরও শক্তিশালী করেছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। 

পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দেশবাসীকে হতাশ হতেই নিষেধ করেন। তিনি বলেন, সমস্যা ও সংকট আমাদের জীবনের অঙ্গ। কিন্তু এই চ্যালেঞ্জগুলির জন্যই কি ২০২০কে খারাপ বছর হিসেবি চিহ্নিত করা ঠিক? বছরের প্রথম ৬টি মাসকেই গোটা বছরের মানদণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করা কি ঠিক ? তা কখনই ঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী। 

২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড ছাড়িয়ে করোনা আক্রান্ত দেশে, পাল্লা দিচ্ছে সুস্থ মানুষের সংখ্যাও ...

প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রথমে ভাবা হয়েছিল ভারত তার সংস্কৃতিক পরিচয় হারিয়ে ফেলবে। কিন্তু ফল হয়েছে পুরোপুরে উল্টো। ভারতের আত্মপ্রকাশ আরও উজ্জেল ও গৌরবযুক্ত হয়েছে। যা পরিচালিত হয়েছে শক্তিশালী সংস্কৃতিক নীতির দ্বারা। এদিনের মন কি বাত অনুষ্ঠানে সীমান্ত উত্তাপ থেকে শুরু করে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ সবকিছু নিয়েই কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।