সংক্ষিপ্ত
- ২ বছর পর সুকমায় ভয়ঙ্কর মাওবাদী হামলা
- গভীর জঙ্গেলে মাওবাদীদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ গুলির লড়াই জওয়ানদের
- নিহত ১৭ জওয়ান, আহতের সংখ্যা ১৫
- ১৬টি অস্ত্র লুঠ করেছে মাওবাদীরা
করোনা আতঙ্কের মধ্যেই ফিরে এল মাওবাদী হামলার ভয়ঙ্কর স্মৃতি। ছত্তিশগড়ের সুকমায় ভয়ঙ্কর মাওবাদী হামলা। দীর্ঘ ২৪ ঘণ্টা নিখোঁজ থাকার পর রবিবার উদ্ধার হয়েছে ১৭ জওয়ানের নিথর রক্তাক্ত দেহ। আহত ১৫ জওয়ানকেও উদ্ধার করা গেছে। বায়ুসেনার বিশেষ বিমানে আহতদের নিয়ে আসা হয়েছে রায়পুরে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাদের ভর্তি করা হয়েছে হাসপাতালে। আবারও ছত্তিশগড়ের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে যে মাওবাদী সক্রিয়া হয়েছে তার প্রামাণ দিল সশস্ত্র এই আন্দোলনকারীরা।
রবিবার ছত্তিশগড়ের পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল দুর্গেশ মাধব জানিয়েছেন, স্পেশল টাস্ক ফোর্স ও ডিস্ট্রেক রিজার্ভ গার্ডের একটি দল টহল দিচ্ছিল সুকমার জঙ্গলে। শনিবার গভীর জঙ্গলে মিনপা ও কাসালপদ এলাকায় সেই দলের উপরই হামলা চালায় মাওবাদীদের একটি দল। দীর্ঘক্ষণ দুই পক্ষের মধ্যে চলে গুলির লাড়াই। সেই সময়ই মৃত্যু হয়ে জওয়ানদের। মাওবাদীদের ওই দলটি ১৬টি আগ্নয়াস্ত্র লুঠ করে চম্পট দেয় বলেও অভিযোগ। শনিবার রাতে অবহাওয়া খারাপ থাকায় ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেনি উদ্ধারকারীদল। রবিবার আহতদের উদ্ধার করা হয়। সেই সময়ই উদ্ধার হয় ১৭ জওয়ানের নিথর দেহ।
গত দুবছরে বস্তার এলাকায় এতবড় মাওবাদী হামলা হয়নি বলেও জানিয়েছে ছত্তিশগড় প্রশাসন। এমনিতেই করোনাভাইরাস মোকাবিলায় গোটা দেশে যুদ্ধকালীন তৎপরতা শুরু হয়ে গেছে। আগামী আট দিনের জন্য গোটা দেশের ৭৫টি পুরসভা লকডাউনের পথে হাঁটছে। গোটা দেশে আক্রান্তের সংখ্যা ৩০০ ছাড়িছে। এখনও পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। এই পরিস্থিতিতে করোনা আতঙ্কে ত্রস্ত গোটা দেশ। সেখানে নতুন করে মাওবাদীদের এই ভয়ঙ্কর হামলা রীতিমত উদ্বিগ্ন করে তুলেছে স্থানীয় প্রশাসনকে।