Mid Air Fuel Scare: দিল্লি থেকে ভুবনেশ্বরগামী এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের একটি বিমানকে ঘিরে চাঞ্চ্যলকর ঘটনা। এদিন সকালে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি বিমান (IX-1057) নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সকাল ৬টা ২০ মিনিটে দিল্লির আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দেয়।

Mid Air Fuel Scare: দিল্লি থেকে ভুবনেশ্বরগামী এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের একটি বিমানকে ঘিরে চাঞ্চ্যলকর ঘটনা। বুধবার সকালে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের একটি বিমান (IX-1057) নির্ধারিত সময় অনুযায়ী সকাল ৬টা ২০ মিনিটে ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে রওনা দেয়। গন্তব্য ছিল ভুবনেশ্বরের বিজু পটনায়ক আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। কিন্তু মাঝ আকাশেই আচমকা পথ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন বিমানটির পাইলট। এর কারণ বিমানটির ইঞ্জিনে জ্বালানি শেষ হয়ে যায়। পর্যাপ্ত জ্বালানির অভাব থাকায় রাজস্থানের জয়পুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ অবতরণ করানো হয় বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ধরনের এই বিমানটিকে। বিমান সংস্থার তরফে জানানো হয়, জ্বালানির ঘাটতির আশঙ্কা থেকেই এই সিদ্ধান্ত। সেই মতো রাজস্থানের জয়পুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ অবতরণ করানো হয় বোয়িং ৭৩৭ ম্যাক্স ধরনের বিমানটিকে। যদিও জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করা হয়নি, পুরো ঘটনাটিকেই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবেই দেখানো হচ্ছে।

জ্বালানি উদ্বেগে জয়পুরে অবতরণ এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস বিমানের

বিমানটি নিরাপদে অবতরণ করে এবং যাত্রী ও ক্রু সদস্যদের কারও কোনও ক্ষতি হয়নি। বিমানবন্দরে নামার পর যাত্রীদের কিছু সময় অপেক্ষা করতে হয়। পরে বিমানটিতে জ্বালানি ভরার পর আবার ভুবনেশ্বরের উদ্দেশে রওনা দেয় উড়ানটি। তবে এই অঘোষিত বিরতির জেরে কয়েক ঘণ্টার বিলম্ব হয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। বাণিজ্যিক উড়ানের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে অতিরিক্ত জ্বালানি মজুত রাখা বাধ্যতামূলক, ফলে কী কারণে এমন পরিস্থিতি তৈরি হল তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে। কিছু সূত্রে আবার খারাপ আবহাওয়ার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও সংস্থার তরফে এ নিয়ে বিশদ ব্যাখ্যা এখনও দেওয়া হয়নি।

বড় বিপদের আশঙ্কা ছিল!

বিমান চলাচল নিয়ন্ত্রক সংস্থা DGCA এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করতে চলেছে। আপাতত কোনও প্রযুক্তিগত ত্রুটির খবর সামনে আসেনি। যাত্রীদের জানিয়ে দিয়েই পথ পরিবর্তন করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সামগ্রিক ভাবে, নিরাপদ অবতরণের ফলে বড় কোনও বিপদের আশঙ্কা এড়ানো গিয়েছে। তবে জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, আবহাওয়া ও অপারেশনাল পরিকল্পনা এই তিনটি বিষয়ই এখন তদন্তের কেন্দ্রবিন্দুতে আসতে চলেছে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞমহল।