রবিবার থেকে নিখোঁজ ছিলেন কেরলের একটি গির্জার ধর্মগুরু জর্জ এট্টুপাড়াইল। রবিবার দুপুরেও কোট্টায়েম জেলার আয়ারকুন্নামের  একটি গির্জায় তাঁকে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু আজ সকালে সেই গির্জারই সংলগ্ন একটি কূপ থেকে উদ্ধার হয় তাঁর নিথর দেহ। ৫৫ বছরের এই ধর্মযাজকের কীভাবে মৃত্যু হল তাই নিয়েই রহস্য ঘননীভূত হচ্ছে। ইতিমধ্যে ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও তথ্য হাতে পায়নি বলেও জানিয়েছেন তদন্তকারী আধিকারিক। 

সৈন্য মৃত্যু নিয়ে চিনা সেনার স্বাকারোক্তি, গালওয়ান সমস্যা যাচ্ছে কূটনৈতিক আলোচনার কোর্টে ...

'বজ্র আঁটুনি ফস্কা গেরো'র নমুনা ভারতীয় রেলে, করোনা আক্রান্তকে ঘিরে আতঙ্ক ট্রেনে ...
গির্জা থেকে প্রাপ্ত সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে রবিবার সকাল ১০টা ৫০ পর্যন্ত গির্জার মধ্যেই ছিলেন জর্জ। কিন্তু কখন তিনি নিখোঁজ হন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কারণ বেলা এগারোটা থেকে গির্জার সমস্ত সিসিটিভিটি ক্যামেরা বন্ধ করা ছিল। কেন সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ করা হয়েছে তাই নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে গির্জা কর্তৃপক্ষকে। কারাই বা বন্ধ করল সিসিটিভি ক্যামেরা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে এখনও পর্যন্ত এই রহস্যের সমাধান করা যায়নি। পাশাপাশি পুলিশ সূত্রের খবর নিহত যাজকের মোবাইল ফোনটিও ছিল সাইলেন্টমোডে। যা নিয়েও রহস্য দানা বাঁধছে। ইতিমধ্যেই পুলিশ অস্বাভাবিক মৃত্যু মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ জানিয়েছে রবিবার বিকেলের দিকে যাজকের নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে দুপুর থেকে বিকেলের মধ্যেই ঘটেছে কোনও দুর্ঘটনা। 

'অটোটেম্প' তৈরি করে তাক লাগাল কেরলের ছাত্র, করোনা লড়াই সহজ হবে বলেই

আলাপ্পুজার এডাথওয়া থেকে এসেছিলেন ফ্রাঙ্ক জর্জ। কয়েক মাস আগেই তিনি বিদেশ থেকে ফেরেন। তারপরই গির্জার পলিসি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কিন্তু তাঁর অস্বাভাবিক মৃত্যু তুলে দিয়ে গেল বেশ কয়েকটি প্রশ্ন।