স্মৃতি ইরানিকে নিয়ে নিখোঁজ পোস্টার পড়ল আমেঠিতেআমেঠি ভ্রমণের স্থান নয় স্মৃতি ইরানির সাহায্য চেয়ে বার্তা কংগ্রেস বিজেপির তরজা  

নিজের সংসদীয় কেন্দ্রেই রীতিমত সমস্যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। আমেঠির ১৩ ব্লকের অধিকাংশ বাসিন্দারাই তাঁর ওপর ক্ষুদ্ধ বলে অভিযোগ। আমেঠিতেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে পড়েছে নিখোঁজ পোস্টার। স্থানীয়দের অভিযোগ সমস্যার সময় সাংসদকে কাছে পাওয়ায় যায়না। এটা তাঁর কাছে ভ্রমণের একটি স্থান মাত্র। ২০১৯ সালের নির্বাচনের পর মাত্র দুই বার কয়েক ঘণ্টার জন্য এই কেন্দ্রে কিছু সময় কাটিয়েছেন স্মৃতি ইরানি। 

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred
Scroll to load tweet…

স্মৃতি ইরানিকে নিয়ে যে পোস্টার পড়েছে আমেঠিতে তাতে কোনও সংস্থা বা কোনও ব্যক্তির নাম নেই। সাদা কালো ওই পোস্টারে লেখা রয়েছে, 'আমরা আপনাকে গানের লড়াই খেলতে দেখছি সোশ্যাল মিডিয়ায়। এই কঠিন সময় বেশ কয়েক জনকে আপনি খাবার দিয়েছেন সেটাই জানতে পেরেছি। কিন্তু আমেঠির মানুষ আপনাকে খুঁজছে চরম এই সমস্যায় তাঁদের সমস্যা ও প্রয়োজনের কথা জানাতে। আমেঠির মানুষ এই সময় আপনার সাহায্য চায়। কিন্তু আমেঠি আপনার কাছে ভ্রমণের জায়গা ছাড়া আর কিছুই নয়। আপনি কি একবার অন্তত ভরসা দেওয়ার জন্য আমেঠিতে আসবেন?'

লোকসভা নির্বাচনের পরেই আমেঠিতে খুন গুলিবিদ্ধ হয়ে খুন হয়েছিলেন সুরেন্দ্র সিংহ। তাঁর শেষকৃত্যের সময় গিয়েছিলেন স্মৃতি ইরানি। রাজনৈতিক হিংসা চরিতার্থ করতে তাঁকে খুন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া হবে বলেও ঘোষণা করেছিলেন তিনি। পোস্টারে স্মৃতি ইরানিকে সেই কথাও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে।

তবে এই পোস্টার নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে রাজনৈতিক তরজা। আমেঠির বিজেপি মুখপাত্র গোবিন্দ সিং পুরো ঘটনার জন্য দায়ি করেছেন কংগ্রেসকে। তাঁর অভিযোগ গোটা দেশেই এমন নিম্নমানের রাজনীতি করছে কংগ্রেস। পাশাপাশি তাঁর অভিযোগ আমেঠিতে ফেরা প্রায় ২০ হাজার প্রবাসী শ্রমিককে মাস্ক আর স্যানিটাইজার দিয়ে সাহায্য করেছেন সাংসাদ। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন সব সময়ই স্থানীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন স্মৃতি ইরানি। 

করোনা গোষ্ঠী সংক্রমণের পর্যায়ে পৌঁছেছে ভারতে, অপরিকল্পিত লকডাউনের খেসারত দিতে হচ্ছে, দাবি বিশেষজ্ঞদে...

রাজ্যসভার ১৮টি আসনে নির্বাচন হবে ১৯ জুন, ঘোষণা নির্বাচন কমিশনের ...

অন্যদিকে কংগ্রেসের স্থানীয় নেতা রাহুল মিশ্র জানিয়েছেন এই পোস্টারের সঙ্গে কংগ্রেসের কোনও সম্পর্ক নেই। তিনি আরও বলেন, সরকারি হিসেব অনুযায়ী আমেঠি থেকে কাজ করতে যাওয়া শ্রমিকের সংখ্যা কুড়ি হাজার নয়। সংখ্যাটা অনেকটাই বেশি। তাই স্মৃতি ইরানি সাহায্য করলেও তা সকলের কাছে পৌঁছায়নি। তিনি মনে করিয়েদেন, অতীতে তৎকালীন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে নিয়েও এই জাতীয় পোস্টার পড়েছিল। সেই পোস্টারে জানতে চাওয়া হয়েছিল কোথায় সাংসদ রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন স্থানীয়রা জানতে চাইছে মহামারীর এই সময় তাঁদের সাংসদ তাঁদের জন্য কী কী করেছেন।