২২ এপ্রিল পহেলগাম জঙ্গি হামলার পাল্টা জবাব দেওয়ার দায়িত্ব সম্পূর্ণ স্বাধীন দায়িত্ব দেশের সেনাবাহিনীর হাতেই তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একাধিক বৈঠক করে প্রধানমন্ত্রী মোদী পাকিস্তানকে উচিত জবাব দেওয়ার জন্য ফ্রি অ্যাক্সেস দেন সেনাবাহিনীকেই।

গত ২২ এপ্রিল পহেলগামে ভারতের ২৫ নাগরিক ও নেপালের ১ জনকে নির্বিচারে গুলি চালিয়ে হত্যা করে পাক-জঙ্গি। ঘটনার পাল্টা প্রতিবাদে মঙ্গলবার মধ্য রাতের ভারত ‘অপারেশন সিঁদুর’ কার্যকর করে, ধ্বংস করেছে পাকিস্তানের ৯টি জঙ্গি ঘাঁটি। ভারতের মিসাইল হানায় খতম হয়েছে অন্তত ৮০ জন, জখম অন্তত ৭০ সন্ত্রাসবাদী। ভারতের এই সফল প্রতিবাদী হামলায় সমগ্র প্রতিরক্ষা বাহিনীকে কুর্নিশ জানায় দেশবাসী। তবে জানেন কি, কার হাতে ছিল ‘অপারেশন সিঁদুর’ সফল করার দায়িত্ব। কী ভাবে এই অপারেশন পরিচালনা করেন? কী ভাবেই বা সফল হলো এত বড় অভিযান?

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয়, পহেলগাম জঙ্গি হামলার পরে দেশের সেনাবাহিনীর হাতেই পাকিস্তানকে পাল্টা জবাব দেওয়ার দায়িত্ব তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক, প্রতিরক্ষা সচিব, বিদেশ মন্ত্রক, সেনাবাহিনীর তিন প্রধান, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টার সঙ্গে একাধিক বৈঠক করে প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানকে যোগ্য জবাব দেওয়ার জন্য ফ্রি অ্যাক্সেস দেন।

গোটা অপারেশন কার্যকর করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব ছিল জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল। অতি বিশ্বস্ত ও যোগ্য সেনাদের কোর টিম নিয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পরিচালনা করেন দোভালই। কবে, কখন, কী ভাবে হামলা তার বিস্তারিত ছক পরিচালনা করার পদ্ধতি আগে থেকেই প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়েছিল। এছাড়াও অপারেশন সিন্দুর কার্যকর করতে অনেক গুরু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল NTRO-কে (National Technical Research Organisation)।

অপারেশনের প্রথম ধাপ :

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার রাত ১২টা ৩৭ মিনিটে শুরু হয় 'অপারেশন সিঁদুর'। ওপারেশনের আগের প্রস্তুতি পর্বে সম্ভাব্য কোন জঙ্গি ঘাঁটিগুলি ও কেন হামলা চালানো হবে প্রমাণ-সহ তা বাছাই করে রাখা হয়। এই সমস্ত তথ্য সহ বৈঠক হয়, ঠিক হয় প্রথম টার্গেট হবে জঙ্গিদের ঘাঁটি ধ্বংস করে দেওয়া। এরপরে দোভাল নিজের কোর টিমের সঙ্গে অপারেশন সিঁদুর -কে পরিণতি দেওয়ার জন্য চূডৃ়ান্ত পরিকল্পনা করেন।