জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রদানকারী ৩৭০ ধারা বাতিলের সিদ্ধান্তের পর থেকে পাক নেতৃত্বের বক্তব্যকে 'অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন' বলে দাবি করল কেন্দ্র। পাশাপাশি ভারতের তরফ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে যে, পাকিস্তান বাস্তব পরিস্থিতি থেকে অনেক দূরে গিয়ে সামান্য ব্যপারে বিপদ সংকেত দিচ্ছে পাকিস্তান। শুধু তাই নয় পাকিস্তানকে স্বাভাবিক আচরণ করতে বলা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। 

প্রসঙ্গত, পাকিস্তানের মন্ত্রী শিরিন মারজি-র তরফে রাষ্ট্রপুঞ্জের লেখা একটি চিঠিতে জম্মু ও কাশ্মীরে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলা হয়েছিল। এদিন কার্যত সেই বিষয়টিও খারিজ করে দেন পররাষ্ট্র বিষয়ক মন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ কুমার। তাঁর এদিন সাফ দাবি যে, কোনও মন্তব্য করার আগে নিজের দেশে কী হচ্ছে সেই বিষয়ে নজর দেওয়া উচিত। 

আরও পড়ুন- ৩৭০ ধারা বাতিলের পর ২২২ বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে পাকিস্তান, চলতি বছরে সংখ্যাটা ১৯০০

আরও পড়ুন -মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে আত্মঘাতী পুলিশকর্মী, মৃত্যু ঘিরে ঘনাচ্ছে রহস্য

আরও পড়ুন- এইচআইভি আক্রান্ত হওয়ার খবরে প্রাণ গেল এক মহিলার, তদন্তে উঠে এল রিপোর্ট ভুয়ো

আরও পড়ুন- স্ত্রীর নাম থাকবে কি এনআরসি তালিকায়, আতঙ্কে আত্মঘাতী স্বামী

 পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান এবং আরও অন্যান্য মন্ত্রীদের করা মন্তব্য নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে এদিন রবীশ কুমার সাফ জানিয়ে দেন,ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্বের করা মন্তব্য একেবারেই দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো। তাঁদের মন্তব্যে জিহাদ এবং ভারতের মধ্যে হিংসাত্মক বিষয়ে উস্কানিমুলক মন্তব্য রয়েছে। 

এদিন পাকিস্তানকে স্বাভাবিক রাষ্ট্রের মতো আচরণ করার কথা মনে করিয়ে দিয়ে রবীশ কুমার বলেন, একটি স্বাভাবিক প্রতিবেশি রাষ্ট্র কী করে, একটি স্বাভাবিক প্রতিবেশী রাষ্ট্র কখনওই তার প্রতিবেশি রাষ্ট্রে সন্ত্রাসবাদীদের পাঠায় না, বরং স্বাভাবিক আলোচনা করুন, স্বাভাবিক ব্যবসা-বাণিজ্য করুন- এমনটাই জানালেন রবীশ কুমার। তিনি এদিন আরও বলেন, যদি গত ৫ অগাস্ট থেকে  আজকের দিনে কাশ্মীরে পরিস্থিতির দিকে তাকানো যায় তাহলে একটি ক্রমপর্যায়ে ইতিবাচক পরিবর্তন ধরা পড়বে বলেও জানান তিনি। দয়া করে দেশের অন্যান্য জায়গার সঙ্গে কাশ্মীরের পরিস্থিতির তুলনা না  করার আবেদন জানান তিনি।