শুক্রবার, দু'দিনের সফরে বাংলাদেশ যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। কোভিড-১৯ মহামারি ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে বিদেশ ভ্রমণ বন্ধ রেখেছিলেন তিনি। বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে বৈঠক করতেন ভার্চুয়াল মাধ্যমে। প্রথম শারীরিক সফরেই তিনি বাংলাদেশে যাচ্ছেন।

বাংলাদেশের জনক শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে বাংলাদেশ আমন্ত্রণ জানিয়েছিল প্রধানমন্ত্রীকে।সফরের আগে, বৃহস্পতিবার এই সফর নিয়ে বিশেষ বিবৃতি দিলেন নরেন্দ্র মোদী। জানালেন, বাংলাদেশি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে 'গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা' করবেন। এর আগে, গত ডিসেম্বর মাসে ভার্চুয়াল বৈঠকে মিলিত হয়েছিলেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী।

নরেন্দ্র মোদী আরও জানান, কোভিড-১৯ মহামারি শুরুর প্রথম বিদেশ সফরেই প্রতিবেশী দেশে  যেতে পেরে তিননি দারুণ আনন্দিত। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের গভীর সাংস্কৃতিক, ভাষাগত এবং মানুষে মানুষে সম্পর্কের বন্ধনে আবদ্ধ।

শুক্রবারই শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী তথা বাংলাদেশের জাতীয় দিবস। 'বঙ্গবন্ধু'কে গত শতকের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নেতা বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। বলেছেন, বাংলাদেশের জাতির জনকের জীবন ও আদর্শ এখনও লক্ষ লক্ষ মানুষকে অনুপ্রাণিত করে।

আরও পড়ুন - 'ভাইপো'র জন্যই কি ডুবছে তৃণমূল, নাকি আসন্ন নির্বাচনে তিনিই 'দিদি'র অক্সিজেন

আরও পড়ুন - বঙ্গ ভোটে পদ্ম হাতে ৯ মুসলমান, বিজেপি কি সত্যিই সংখ্যালঘু-বিরোধী - কী বলছেন প্রার্থীরা

আরও পড়ুন - মমতা, আব্বাস না বিজেপি - কোথায় যাবে মুসলিম ভোট, বাংলার নির্বাচনে এবার সবথেকে বড় ধাঁধা

বাংলাদেশ সফরে গিয়ে প্রথমদিনই টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে গিয়ে তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এছাড়া, প্রাচীন যশোরেশ্বরী কালী মন্দিরে মাকালীর কাছে প্রার্থনাও করবেন। এর পাশাপাশি শনিবার, এপাড় বাংলায় যখন প্রথম পর্বের নির্বাচন চলবে, ওই দিনই ওপাড় বাংলায় ওড়াকান্দিতে গিয়ে মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলবেন ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী। এই ওড়াকান্দিকে মতুয়া সম্প্রদায় সবচেয়ে পবিত্র তীর্থ বলে বিশ্বাস করে। এছাড়া, সেই দেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ-সহ আরও বহু বিশিষ্টজনদের সঙ্গে সাক্ষাত এবং মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।