M4 কার্বাইন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি একটি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র। এটি অত্যান্ত হালকা ওজনের গ্যাস-চালিত ম্যাগাজিন 

জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলায় বৃহস্পতিবার সেনা বাহিনীর ট্রাক লক্ষ্য করে হামলা চালায় একদল সন্ত্রাসবাদী। হামলার দায়ে নিয়েছেন পিপিলস-অ্যান্টি-ফ্যাসিস্ট ফ্রন্ট (PAFF)। এই হামলায় এখনও পর্যন্ত পাঁচ সেনা জওয়ান নিহত হয়েছে। তবে এই হামলার ঘটনায় সামনে এসেছে আরও একটি বড় ঘটনা। কারণ পুঞ্চের হামলাকারীরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি অত্যাধুনিক M4 কার্বাইন অ্যাসল্ট রাইফেলের ব্যবহার করেছে। ইতিমধ্যেই সেই মার্কিন বন্দুকের ছবিও তারা শেয়ার করেছে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

M4 কার্বাইন মার্কিন অত্যাধুনিক রাইফেলঃ

M4 কার্বাইন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি একটি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র। এটি অত্যান্ত হালকা ওজনের গ্যাস-চালিত ম্যাগাজিন - ফেড কার্বাইন। ১৯৮০ সালে এটি তৈরি হয়েছিল। এটি মার্কিন সশস্ত্র বাহিনীর প্রাথমিক পদতিক অস্ত্র। অন্যান্য ৮০ টিরও বেশি দেশের সেনা বাহিনীর সদস্যরা এজাতীয় বন্দুক ব্যবহার করে।

M4 ক্লোজ-কোয়ার্টার যুদ্ধের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি খুবই কৌশলী। এটি অত্যান্ত নির্ভরযোগ্য, বিভিন্ন যুদ্ধের পরিস্থিতির জন্য উপযুক্ত, এটি সামরিক ও আইন প্রয়োগকারী কর্মীদের জন্য অত্যান্ত পছন্দের একটি আগ্নেয়াস্ত্র।

হামলায় উদ্ধার M4 রইফেল

কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদীরা উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন এই অস্ত্রের ব্যবহার করেছিল। তবে এটাই প্রথম নয়, এর আগেও কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদীরা এজাতীয় অস্ত্রের ব্যবহার করে। ২০১৬ সাল থেকে নিরাপত্তা বাহিনী এই অঞঅচলে নিহত জইশ-ই-মহম্মদ সন্ত্রাসবাদীদের কাছ থেকে স্টিলের বুলেট-সহ চারটি M4 রাইফেল উদ্ধার করেছে। ইস্পাত বুলেটগুলি আরও বেশি ক্ষতি করে। সহজই এগুলি নিয়ে একস্থান থেকে অন্যত্র চলাফেরা করা যায়।

PAFF কি জইশ-ই-মহম্মদের নতুন নাম?

নিরাপত্তা সংস্থা ও ভারতের ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি মনে করছে PAFF জএম বা জইশ-ই-মহম্মদের একটি নতুন ফ্রন্ট হিসেবে কাজ করছে উপত্যকায়। ২০১৯ সালে কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের পরই পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এই জঙ্গি সংগঠন তৈরি করেছিল। PAFF সাম্প্রতিককালে জম্মু ও কাশ্মীরে সবথেকে বেশি সক্রিয় জঙ্গি সংগঠন হিসেবে কাজ করছে।

প্রাথমিকভাবে গোয়েন্দরা মনে করছে এই সংগঠনের সদস্যদের আইএসআই দুর্দান্ত ট্রেনিং দেয়। সম্প্রতি রাজৌরি আর পুঞ্চ জেলায় একটি দল অনুপ্রেবেশ করেছে। এই সংগঠনের মূল টার্গেটই হল সেনা বাহিনী। রিপোর্ট অনুযায়ী সন্ত্রাসবাদীরা আক্রমণের রেকর্ড করেছিল। সেই জন্যও তারা প্রশিক্ষণ পেয়েছিল। তাদের হেলমেটে ক্যামেরা ব্যবহা করেছিল। হামলার ফুটেজও তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়াতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ

রাস্তার মধ্যে জুতো পরিয়ে না দেওয়ায় বেধড়ক মার শিক্ষিকাকে, ভেঙে কয়েক টুকরো হয়ে গেল হাত

Terror Attack: জম্মু ও কাশ্মীরে সেনা বাহিনীর ট্রাক লক্ষ্য করে আক্রমণ জঙ্গি হামলা, নিহত ৩ সেনা জওয়ান

সাবধান! ৪ বছরের শিশুদের জন্য অ্যান্টি-কোল্ড ড্রাগ কম্বিনেশন মারাত্মক, ব্যান করল CDSCO