দিল্লির রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনুমান, সহজে সাফল্য পেতেই শর্মিষ্ঠা বিজেপিতে যেতে পারেন। কারণ এখনও হাওয়া বিজেপির দিকে। আর বিজেপিতে যেতেই তিনি কংগ্রেস তথা রাহুল গান্ধীকে বারবার আক্রমণ করেছেন। 

একটা সময় কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। ইন্দিরা গান্ধী তো বটেই সোনিয়া গান্ধীর কাছের মানুষ ছিলেন তিনি। তিনি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায়। কিন্তু প্রণব মুখোপাধ্যের মৃত্যুর পরই বদলে যাচ্ছে সব হিসেব। কংগ্রেসের সমস্ত পদ আগেই ছেড়েছেন। এবার তিনি বারবার ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে। তাই জাতীয় রাজধানীতে গুঞ্জন প্রবণ-কন্যা যোগ দিতে পারেন বিজেপিতে। যদিও এই বিষয়ে তিনি এখনও কিছুই জানাননি। তবে দিল্লিতে কানাঘুষো শুরু হয়েছে শর্মিষ্ঠা যোগ দিতে পারেন বিজেপিতে।

Add Asianetnews Bangla as a Preferred SourcegooglePreferred

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং-এর মৃত্যুর পরই প্রবণ-কন্যার বিজেপির যোগদানের জল্পনা শুরু হয়। কারণ মনমোহন সিং-এর স্মৃতিসৌধ তৈরি করার জন্য কংগ্রেসের পক্ষ থেকে কেন্দ্রের কাছে জমি চেয়েছিলেন মল্লিকার্জুন খাড়গে। তারপরই শর্মিষ্ঠা কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেয় তাঁর বাবা প্রণব মুখোপাধ্যায়কে যোগ্য সম্মান না জানানোর জন্য। তাঁর কথায় প্রণব মুখোপাধ্যায়কে কংগ্রেস কোনও দিনই যোগ্য সম্মান দেয়নি। কিন্তু প্রয়োজনে প্রবণের কাছে সাহায্য চাইতে আসত। সেই সময় তিনি বিজেপি ঘনিষ্ঠ কেশবনের একটি পোস্টও রিটুউট করেন। প্রবণ মুখোপাধ্যায় সংঘের অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলেন। যা নিয়ে প্রণবের সঙ্গে রাহুল গান্ধী তথা কংগ্রেসের দূরত্ব বেড়েছিল। সেই সময় রাহুল 'সঙ্ঘী' বলেও আক্রমণ করা হয়েছিল প্রণবকে। যা নিয়ে একাধিকবার কংগ্রেসকে আক্রমণ করেছেন শর্মিষ্ঠা।

দিল্লির রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনুমান, সহজে সাফল্য পেতেই শর্মিষ্ঠা বিজেপিতে যেতে পারেন। কারণ এখনও হাওয়া বিজেপির দিকে। আর বিজেপিতে যেতেই তিনি কংগ্রেস তথা রাহুল গান্ধীকে বারবার আক্রমণ করেছেন। তাতে শাসকদলের ঘনিষ্ঠ হচ্ছেন। বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারনা রাজনৈতিক দলে যোগদেওয়ার আসল সময় হল নির্বাচন। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন। যদিও নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু হয়েছে দিল্লিতে। তাই এখন থেকেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করে জল মাপতে শুরু করেছেন শর্মিষ্ঠা। ভোটের আগে বা পরে বিজেপির খাতায় নাম লেখাতেই পরেন। অন্যদিকে শর্মিষ্ঠাতে দলে পেলে আখেরে লাভ হবে বিজেপির। কারণ প্রণব ইন্দিরা ঘনিষ্ট হিসেবে পরিচিত। ভারতীয় রাজনীতির চণক্য। তাই প্রণবের নামে ভোট পেতেও সুবিধে হবে।

আরও খবরের জন্য চোখ রাখুন এশিয়ানেট নিউজ বাংলার হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।