এনবিএফসি অর্থাৎ ব্যাঙ্ক বাদে আর্থিক সংস্থাগুলি এবং এমএফআই বা মাইক্রো ফিনান্স ইনস্টিটিউশনগুলি-সহ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের আর্থিক সংস্থাগুলি কোভিড-১৯ মহামারীর জেরে দারুণ সঙ্কটের মুখে পড়েছে। এই সংস্থাগুলির জন্য শুক্রবার, রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (আরবিআই)-র গভর্নর শক্তিকান্ত দাস প্রয়োজনীয় আর্থিক ত্রাণ ঘোষণা করেছেন। আরবিআই-এর এই পদক্ষেপের ভূয়সী প্রশংসা করলেন রাজ্যসভার সাংসদ রাজীব চন্দ্রশেখর।

এদিন শক্তিকান্ত দাসের সাংবাদিক বৈঠকের পরই সাংসদ রাজীব চন্দ্রশেখর টুইট করে বলেন, 'অবিচলিত এবং সুনিশ্চিত পদক্ষেপ নিয়ে ফের এগিয়ে এল আরবিআই'। এটাই এই মুহূর্তে ভারতের অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একমাত্র উপায় বলে জানান তিনি। বলেন, আরবিআই-এর এই পদক্ষেপে কোনও চমক বা চটক নেই। কিন্তু, স্থির দৃঢ় এই পদক্ষেপ পরের বছর আমাদের অর্থনীতিটি মসৃণ জায়গায় নিয়ে যাবে, আবার গর্জে উঠবে ভারতের অর্থনীতি।

করোনা-কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে যৌন কেলেঙ্কারি, রোগীরাই মিলিত হচ্ছেন একে অপরের সঙ্গে

চারিদিক থেকে বিপদ মৌলানা সাদ-এর, এবার ফাঁসলেন তহবিল তছরুপ-এর মামলায়

 

করোনাভাইরাস কি তবে বাড়িয়ে দিল বিবর্তনের গতি, দেখুন কেন এই ভিডিও ভাইরাল

তিনি কেন এই কথা বলছেন তাও আরেকটি টুইটে ব্যাখ্যা করেছেন রাজীব। রাজ্যসভার এই সাংসদ বলেন, আরবিআইয়ের পদক্ষেপগুলি অত্যন্ত দৃঢ়। ডাব্লুএমএ বা ওয়েজ অ্যান্ড মিনস অ্যাডভান্স-এর সীমা বর্ধিত করা হয়েছে। এর ফলে কোভিড-১৯'এর মতো বিপর্যয়ের সময়ে রাজ্যগুলিতে ক্যাশফ্লো-র গড়মিল ঘোচানো সম্ভব হবে। আর টিএলটিআরও বা টার্গেটেড লং টার্ম রিফাইনান্সিং অপারেশনগুলির মাধ্যমে এবং ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক ফর এগ্রিকালচার অ্যান্ড পল্লি বিকাশ, স্মল ইন্ডাস্ট্রিজ ডেভেলপমেন্ট ব্যাঙ্ক (সিআইডিবিআই), এবং হাউসিং ফাইনান্স সংস্থা (এইচএফসি)-গুলির ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে এনবিএফসি-গুলিতে লিকুইডিটি দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে আরবিআই উল্লেখ করেছে যে ৯০ দিনের এনপিএ মান এখন ব্যাঙ্কগুলির বিদ্যমান ঋণ মঞ্জুরের ক্ষেত্রে এনপিএ-র ৯০ দিনের বিধিও প্রযোজ্য হবে না। এই পদক্ষেপগুলি বাজারে আত্মবিশ্বাস জোগাবে এবং অর্থনীতির বৃদ্ধির পথ মসৃণ করবে বলেই জানিয়েছেন রাজীব।

কেন্দ্রীয় সরকার ছোট ও মাঝারী ব্যবসাগুলির জন্য আরও একটি উদ্দীপনামূলক আর্থিক প্যাকেজ প্রকাশ করার পরিকল্পনা করছে বলে জানা গিয়েছে। এই ধরণের ব্যবসাগুলি প্রায়শই ব্যাঙ্ক ব্যতীত আর্থিক সংস্থাগুলির কাছ থেকে এবং মাইক্রো ফাইনানন্সিং সংস্থাগুলির কা থেকে ঋণ গ্রহণ করে। তারপরই এদিন আরবিআই এই ধরণের আর্থিক সংস্থাগুলির জন্য এই ঘোষণা করল। কাজেই আরবিআই-এর এদিনের ঘোষণা সরকারের বৃহত্তর আর্থিক পরিকল্পনার অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।