Anil Ambani Questioned: রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস লিমিটেডের (Reliance Communications Limited) বিরুদ্ধে ২,৯২৯.০৫ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগ। এই মামলায় শিল্পপতি অনিল আম্বানিকে প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে জেরা করল সিবিআই (CBI)। স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (State Bank of India) অভিযোগের ভিত্তিতে এই এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল।

Anil Ambani Cheating Case: শিল্পপতি অনিল আম্বানিকে ফের জেরা করল সেন্ট্রাল ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (CBI)। শুক্রবার প্রায় সাত ঘণ্টা ধরে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস লিমিটেডের (Reliance Communications Ltd) বিরুদ্ধে ২,৯২৯.০৫ কোটি টাকার ব্যাঙ্ক জালিয়াতির অভিযোগ উঠেছে। এই মামলাতেই তাঁকে জেরা করা হচ্ছে। সিবিআই এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এই মামলার তদন্তে বৃহস্পতিবারও অনিল আম্বানিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছিল। কিন্তু জেরা সম্পূর্ণ না হওয়ায় শুক্রবার তাঁকে আবার সিবিআই দফতরে আসতে বলা হয়। ২০২৫ সালের ২১ আগস্ট স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ার (State Bank of India) অভিযোগের ভিত্তিতে অনিল আম্বানি-সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছিল সিবিআই। এখন সেই মামলারই তদন্ত চলছে।

জালিয়াতির অভিযোগটা ঠিক কী? 

এসবিআই হল ১১টি ব্যাঙ্কের একটি কনসোর্টিয়ামের প্রধান। তাদের অভিযোগ একটি ফরেনসিক অডিট রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৩ থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে গ্রুপ সংস্থাগুলির মধ্যে বিভিন্ন ঘুরপথে লেনদেনের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ ঋণের টাকা নয়ছয় করা হয়েছে। এর ফলে এসবিআই-এর ক্ষতি হয়েছে ২৯২৯.০৫ কোটি টাকা। যদিও ১৭টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের মোট ঋণের পরিমাণ ছিল ১৯৬৯৪.৩৩ কোটি টাকা। একের পর এক ব্যাঙ্কের অভিযোগ তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, সিবিআই-এর এফআইআরের পর পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক, ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, ইউকো ব্যাঙ্ক, সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, আইডিবিআই ব্যাঙ্ক এবং ব্যাঙ্ক অফ মহারাষ্ট্রও আলাদা করে অভিযোগ দায়ের করেছে। শুধু তাই নয়, ২৫ ফেব্রুয়ারি ব্যাঙ্ক অফ বরোদার অভিযোগের ভিত্তিতে রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস লিমিটেড, অনিল আম্বানি এবং অন্যদের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এই অভিযোগে ই-দেনা ব্যাঙ্ক এবং ই-বিজয়া ব্যাঙ্কের ঋণের কথাও উল্লেখ রয়েছে। এরপর ৫ মার্চ পঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্কের অভিযোগের ভিত্তিতে রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস লিমিটেড, তার ডিরেক্টর অনিল আম্বানি, মঞ্জরী অশোক কাকের এবং অন্যদের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা রুজু করা হয়।

সিবিআই-এর তল্লাশি অভিযান 

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, সিবিআই মুম্বইয়ের বিশেষ সিবিআই আদালত থেকে সার্চ ওয়ারেন্ট জোগাড় করে। এরপর ২০২৩ সালের ২৩ আগস্ট মুম্বইয়ে রিলায়েন্স কমিউনিকেশনস লিমিটেডের দু'টি অফিস এবং অনিল আম্বানির বাড়িতে তল্লাশি চালায়। এই তল্লাশি অভিযানে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

আরও খবরের আপডেট পেতে চোখ রাখুন আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যানেলে, ক্লিক করুন এখানে।