বিশ্ব সবথেকে বড় টিকা প্রদান কর্মসূচি চলছে দেশজুড়ে। ইতিমধ্যেই এক কোটি ৬৩ লক্ষ নাগরিকদের টিকা প্রদান করা হয়েছে। ১৬ জানুয়ারি প্রথম পর্বে করোনা যোদ্ধা ও ফ্রন্ট লাইন কর্মীদেরও টিকা প্রদান করা হয়েছে। ১ মার্চ থেকে শুরু হয়ছে দ্বিতীয় পর্বে টিকাকর্মসূচি চলছে দেশজুড়ে। এই পর্বে সাধারণ নারগিকদেরও টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এই পর্বে দেশের বয়স্ক ও অসুস্থ নাগরিকদেরও মূলত টিকা দেওয়া হবে। তবে এবার আপনার জেনে নেওয়া উচিৎ টিকা নিতে গেলে আপনি কী কী করবেন আর কী কী করবেন না। 

করণীয়ঃ
স্থানীয় কোনও চিকিৎসকর বা পরিবারিক চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করুন। জেনে নিন টিকা কী ভাবে কাজ করে।
যদি অ্যালার্জি বা ওষুধে অ্যালার্জি থাকে তাহলে চিকিৎসকের কাছে সে  সম্পর্কে পরিষ্কার হতে হবে। 
প্রয়োজনে চিকিৎসক কিছু রুটিন পরীক্ষার আদেশ দিতে পারেন 
ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, হাইপ্রেসারের রোগীদের বেশ কয়েকটি পরীক্ষা করা জরুরি। নিতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ। 
ভ্যাকসিন নিতে বার হওয়ার আগে হালকা খাবার খাবেন। তবে ভ্য়াকসিন নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভারি খাবার না খাওয়াই ভালো। 
কাউন্সিলিংএর সময় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সাহায্য করুন। মনে রাখবেন আরও পাঁচটি টিকার মতই করোনাভাইরাসের টিকা। 
ভ্যাকসিন নিতে যাওয়ার সময় হালকা ও আরামদায়ক পোষাক পরুন। মাস্কের ব্যবহারও অত্যন্ত জরুরি। 
টিকা  কেন্দ্রে নূন্যতম নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখাতে হবে। 

অকরণীয়ঃ
টিকাপ্রদানকারীদের কাছে নিজের অসুস্থতা বা অস্বস্তি লুকিয়ে যাবে না। 
ভ্যাকসিন নেওয়ার আগে বা পরে মাদক জাতীয় দ্রব্য এড়িয়ে চলা উচিৎ। 
টিকাকেন্দ্র করোনা প্রোটোকল মেনে চলা বাধ্যতামূলক।
ভ্যাকসিন নেওয়ার পরে অস্বস্তি হলে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। 
টিকা নেওয়ার পর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। নিজেরি ইচ্ছে মত ওষুধ না খাওয়াই শ্রেয়। 


টিকা দেওয়ার পরঃ
যে হাতে টিকা দেওয়া হয়েছে সেখানে ফোলা ভাব থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে। 
জ্বর, ক্লান্তি, মাথা ব্যাথার মত সমস্যা দেখা দিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। এগুলি নিয়ে আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। কয়েক দিনের মধ্যে এজাতীয় সমস্যা কেটে যাবে বলেও জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। 
টিকা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই যদি গুরুতর অ্যালার্জি হয় তাহলে টিকাকেন্দ্রেই তাৎক্ষণিত তদারকি করা হয়। কিন্তু পরবর্তীকালে সমস্যা দেখা দিলে টিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রয়োজনে টোল ফ্রি নম্বরেও ফোন করেতে হবে। 

সতর্কতাঃ 
টিকা নেওয়ার পরে চিকিৎস যদি কোনও পরামর্শ না দেয় তবে প্রচুর পরিমাণে জল খাবেনষ 
টিকা সঙ্গে সঙ্গে রোগমুক্ত করে না। 
টিকার কার্যকারিতা শুরু হয় দ্বিতীয় ডোজের কিছু দিন পরে। 
টিকা গ্রহণের পরেই মৌলিক সতর্কতা বজায় রাখতে হবে। মাস্ক ব্যবহার, হাত ধোয়া, নিরাপদ শারীরিক দূরত্ব মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি। 


*এগুলি টিকা গ্রহণ সম্পর্কে সাধারণ সাবধনতা। টিকা গ্রহণের আগে বা পরে সমস্যা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি।